kalerkantho


সবিশেষ

লক্ষাধিক জাতের ধান সংরক্ষিত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ অক্টোবর, ২০১৮ ১১:৪৮



লক্ষাধিক জাতের ধান সংরক্ষিত

ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য এক লাখেরও বেশি ধানের জাত সংরক্ষণের কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফিলিপাইনে অবস্থিত বিশ্বের বৃহৎ ধান জিন ব্যাংকে রাখা এসব নমুনা উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবনে সহায়ক হবে। যেগুলোর অভিযোজন ক্ষমতা হবে অনেক বেশি। ফলে খরা ও বন্যার সঙ্গে সহজেই টিকে থাকবে নতুন জাতের ধান।

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) ওই জিন ব্যাংকে বিপুলসংখ্যক ধান সংরক্ষণের প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ক্রপ ট্রাস্ট। এটি উষ্ণায়নপ্রবণ পৃথিবীতে খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার একটি অংশ।

আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ক্রপ ট্রাস্টের নির্বাহী কর্মকর্তা মেরি হাগা বলেন, ‘এই বীজ সংরক্ষণ একটি অসামান্য দৃষ্টান্ত। আমরা বিশ্বাস করি, আপনি যে বৈশিষ্ট্যের বীজই খুঁজুন, ধানের এই প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে তা পাবেন। বিচিত্র সব ধানের বীজ খরা-বন্যাসহিষ্ণু নতুন জাত উদ্ভাবনে সহায়ক হবে; যেগুলো কীটপতঙ্গ ও রোগ প্রতিরোধীও হবে।’

মেরি হাগা আরো বলেন, ধানের বীজ সংরক্ষণ তুলনামূলকভাবে সহজ। কম তাপমাত্রায় শত শত বছর ধরে তা অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব।

সম্প্রতি ইরি ‘স্কুবা’ নামের একটি ধান উদ্ভাবন করেছে, যা বন্যার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারে। এটির চাষ এশিয়াতে শুরু হয়েছে। আর আফ্রিকায় বেশ জোরেশোরেই বিস্তৃতি ঘটছে।

ইরি জিন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা করছেন বিবর্তনীয় বিজ্ঞানী রুয়ারাইধ স্যাকভিল হ্যামিল্টন। তিনি বলেন, ধানের বীজ সংরক্ষণের কাজটি এমন একটি রেকর্ড গড়েছে, যার সুবিধা এরই মধ্যে বিশ্ববাসী পেতে শুরু করেছে। এই নিরাপদ সংরক্ষণের ফলে নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন সম্ভব হবে, যার ফলে উৎপাদনজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে কৃষক। ভোক্তাদের পরিবর্তিত পছন্দও পূরণ করা সম্ভব হবে। সূত্র : বিবিসি।



মন্তব্য