kalerkantho


জঘন্য সব খাবার রয়েছে সেই জাদুঘরে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১৭:৩৩



জঘন্য সব খাবার রয়েছে সেই জাদুঘরে

বাদুড়ের মাংস দিয়ে স্যুপ, পোকা ধরা চিজ, আস্ত গিনিপিগের রোস্ট, ভেড়ার আইবলের জুস; এসব খাবার নিয়েই আস্ত একটা জাদুঘর রয়েছে সুইডেনে। কোন দেশের বাসিন্দারা খায় এসব?

উদ্ভট বলে কি আদৌ কিছু হয়? মাছের অন্ত্রের স্যুপ খেত রোমানরা, যাকে বলে গারুম। তাদের কাছে তো অবাক লাগতেই পারত ইলিশের পাতুরি নামটা।

কিউরেটর বলেন, উদ্ভট খাবারের জাদুঘর, যাতে খাবার নিয়ে কোনো রকম নাক সিঁটকানি না থাকে।

পোকা ধরা চিজ! সারাডিনিয়ার কয়েক জন নাগরিকদের কাছে কিন্তু এটাই খাবার। সেই খাবার রয়েছে ওই সংগ্রহশালায়। চীনের এক প্রদেশেই যাঁড়ের পেনিস খাওয়ার চল রয়েছে! সেটিও রয়েছে সংগ্রহশালায়।

আস্ত ফলখেকো বাদুড়ের স্যুপ খাওয়ার চল রয়েছে গুয়ামের বাসিন্দাদের। সেটিও রয়েছে এখানে। ভেড়ার আইবলের রস থেকে তৈরি হয় শিপ আইবল জুস। মঙ্গোলিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে এই খাবারের চল রয়েছে।

জাপানের স্যুপে থাকে পচা সয়াবিন, গেঁজিয়ে ওঠা সয়াবিন (ফারমেনটেড) দিয়েই তৈরি হয় এটি। সেটিও রয়েছে সংগ্রহশালায়।

চূনের থ্রি পেনিস রাইস ওয়াইনে থাকে এক ধরনের মাছ, হরিণ, ক্যানটোনিজ কুকুরের শিশ্ন (পেনিস)-এর অবশিষ্টাংশ। এটিও রয়েছে সংগ্রহশালায়।

পেরুর বাসিন্দারা আস্ত গিনিপিগের রোস্ট খান। সেটিও রয়েছে এখানে! গরুর পাকস্থলী দিয়েই হয় এই রান্না। পুয়ের্তো রিকোর খাবার এটি। ৮০টি খাবারের মধ্যে এটিও স্থান পেয়েছে সংগ্রহশালায়। মেক্সিকোতেও রয়েছে এই খাবারের চল।

কিলবিল করা পোকাসহ খাবারের সঙ্গে চিলি সস আর লেবু। এটিও স্থান পেয়েছে সংগ্রহশালায়।

 



মন্তব্য