kalerkantho


সবচেয়ে ক্ষমতাধর জাপানি পাসপোর্ট

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১৫:২০



সবচেয়ে ক্ষমতাধর জাপানি পাসপোর্ট

স্বাধীনতা ও মুক্তির স্বাদ এনে দিতে পারে ভ্রমণ। আর নিজ দেশের বাইরে যেতে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসটি হলো পাসপোর্ট। অবশ্য সব দেশের পাসপোর্ট ভ্রমণের ক্ষেত্রে একই ধরনের সুবিধা দেয় না। এটা নির্ভর করে পাসপোর্টের ক্ষমতার ওপর। এ বছরের অক্টোবরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোন দেশের কাগজপত্রে বিশ্বের কতগুলো সীমান্ত পাড়ি দেয়া সম্ভব। আর সে বিচারে এবার সবচেয়ে ক্ষমতাধর পাসপোর্টের মালিক বিবেচিত হয়েছে জাপান। 

হেনলে পাসপোর্ট ইনডেক্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে। মূলত গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এবং রেসিডেন্স অ্যাডভাইজরি ফার্ম হেনলে অ্যান্ড পার্টনার্সসিটিজেন্স প্রণীত তালিকার শীর্ষস্থানটি দখল করেছে জাপান। এ মাসের প্রথম দিকে মিয়ানমারে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার কিংবা পৌঁছানোর পর ভিসা মেলার সুযোগ  জাপানের পাসপোর্ট সবচেয়ে ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে। এখন থেকে জাপানের পাসপোর্টের মাধ্যমে বিশ্বের ১৯০টি দেশে ভিসা ফ্রি কিংবা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল পদ্ধতিতে প্রবেশ করা যাবে। ১৮৯টি দেশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। 

এ বছরের প্রথম দিকেই জার্মানি ছিলো তালিকার প্রথমে। বর্তমানে ১৮৮টি দেশে প্রবেশের ক্ষমতা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটি। তবে একই অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স এবং দক্ষিণ কোরিয়া। 

অক্টোবরের ৫ তারিখে ফ্রান্সের জন্যে ভিসার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয় উজবেকিস্তান। ওদিকে, ফেব্রুয়ারিতেই একই নীতি গ্রহণ করে জাপান এবং সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে। দক্ষিণ কোরিয়া মিয়ানমারে ভিসামুক্ত প্রবেশের অনুমতি পায় অক্টোবরের ১ তারিখে। 

১৮৬টি দেশে ভিসা ফ্রি কিংবা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা নিয়ে পঞ্চম স্থানে যৌথভাবে রয়েছে আমেরিকা এবং ব্রিটেন। নতুন কোনো দেশে নতুন করে সুবিধা পায় দেশ দুটো। এ তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান ৪৭তম। 

এ ক্ষেত্রে গত এক যুগের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগতি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। ২০০৬ সালেও তারা ছিলো ৬২তম অবস্থানে। আর এখন তার বিশ্বের ক্ষমতাধর পাসপোর্টের তালিকার ২১তম অবস্থানে রয়েছে। 

এখানে হেনলে পাসপোর্ট ইনডেক্সের ক্ষমতাধর প্রথম ১০টি স্থান দখল করা দেশগুলোর তালিকা দেখে নিন। এখানে দেশের নাম ও কয়টি ভিসা ফ্রি কিংবা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা মেলে তার সংখ্যা দেয়া হলো। 

১. জাপান- ১৯০টি দেশ, 
২.সিঙ্গাপুর- ১৮৯টি দেশ,
৩. জার্মানি, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া- ১৮৮টি দেশ, 
৪. ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড,ইতালি, সুইডেন, স্পেন- ১৮৭টি দেশ, 
৫. আমেরিকা, ব্রিটেন, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল- ১৮৬টি দেশ, 
৬. বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, কানাডা- ১৮৫টি দেশ, 
৭. অস্ট্রেলিয়া, গ্রিস, মাল্টা- ১৮৩টি দেশ, 
৮. নিউ জিল্যান্ড, চেক রিপাবলিক- ১৮২টি দেশ, 
৯. আইসল্যান্ড- ১৮১টি দেশ এবং 
১০. হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া, মালয়েশিয়া- ১৮০টি দেশ। 

সূত্র: সিএনএন 



মন্তব্য