kalerkantho


কালের কণ্ঠের সংবাদকর্মী ম. কামালের ইন্তেকাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ মে, ২০১৮ ১৩:১৩



কালের কণ্ঠের সংবাদকর্মী ম. কামালের ইন্তেকাল

দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার সিনিয়র সম্পাদনা সহকারী ম. কামাল উদ্দিন আর নেই! সবাইকে ফেলে বুধবার ভোর সোয়া ৬টার দিকে তিনি না-ফেরার দেশে চলে গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। ছেলে-মেয়ে দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার দক্ষিণ হলদিয়া গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মরহুম এম এ করিম।

বাদ জোহর জাতীয় প্রেস ক্লাবে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের অফিসের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। বাদ আসর তৃতীয় জানাজা শেষে সেখানে তাঁকে দাফন করা হবে। 

ম. কামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদনা সহকারী বিভাগে কাজ করে আসছেন। তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ, বাংলাদেশ অবজারভার, সোনালী বার্তা, কালবেলা, গণজাগরণ, আমার দেশ এবং সর্বশেষ কালের কণ্ঠর সূচনা থেকে অদ্যাবধি সম্পাদনা সহকারী বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন। ২০০৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনাজনিত কারণে তাঁর বাম পা কেটে ফেলতে হয়। পরিবার নিয়ে থাকতেন ঢাকার মিরপুর-১-এ।  

প্রায় দুই মাস আগে শারীরিক নানা জটিলতায় তাঁকে মিরপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালান্স-জনিত জটিলতায় শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান তিনি ধরে রাখতে পারছিলেন না। সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি (হরমোন) বিভাগে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে অবস্থার আরো অবনতি হলে ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানকার হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) থাকাকালীন তিনি আর কাউকেই চিনতে পারছিলেন না। পরীক্ষানিরীক্ষার পর ফুসফুসের (লাং) ক্যান্সার ধরা পড়ার দুই দিনের মাথায় তিনি বুধবার মৃত্যুবরণ করেন। 

ম. কামাল উদ্দিনের মৃত্যুতে কালের কণ্ঠ পরিবার শোকাহত।

 



মন্তব্য