kalerkantho


বিয়েবাড়িতে দুই বালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ এপ্রিল, ২০১৮ ২০:১০



বিয়েবাড়িতে দুই বালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা!

বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল তারা দু'জনেই। সেখানে যাওয়ার পর ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে দুই বালিকাকে। পৃথক দু’টি ঘটনার একটি উত্তরপ্রদেশে অন্যটি ঘটেছে ছত্তীসগড়ে।

বৃহস্পতিবার রাতে আলিগঞ্জ এলাকার কেলথা অঞ্চলে চাচার বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যায় নয় বছরের ওই বালিকা। সেই রাতেই পিন্টু নামে ২২ বছর বয়সি একজন গাড়িচালক তাকে পাশের নির্জন জায়গায় টেনে নিয়ে যায়। ধর্ষণ করে খুন করা হয় বালিকাকে।

শুক্রবার ভোর তিনটে নাগাদ বালিকার মরদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, পিন্টুর দু’জন সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। পিন্টুর সঙ্গে তার ভাইকেও আটক করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল আলিগঞ্জ এলাকাতেই বিয়ে বাড়িতে আসা সাত বছরের এক বালিকাকে ধর্ষণ করে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছিল। ১৯ বছর বয়সি অভিযুক্ত সোনু যাদব এসেছিল বিয়েবাড়ির প্যান্ডেলের কাজ করতে।

সেই সময়েই ওই ঘটনা ঘটায় সে। বালিকার মরদেহ মেলে নির্মীণাধীন একটি বাড়ির পাশে। এর কয়েক দিনের মধ্যেই এটা-য় ঘটে গেল আর একটি ঘটনা।

বিয়েবাড়িতে আসা বালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের অন্য ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার, ছত্তীসগড়ে। রাজ্যের কবীরধাম জেলার একটি গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছিল দশ বছরের ওই বালিকা। বরের বন্ধু ২৫ বছর বয়সি এক যুবক বালিকাকে ধর্ষণ করেন।

পরে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করেন। পুলিশ ওই যুবককে আটক করেছে। সে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলেই দাবি পুলিশের।

যেভাবে উত্তরপ্রদেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, তাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যোগি আদিত্যনাথের ব্যর্থতা নিয়ে সরব বিরোধীরা। এরই মধ্যে হাতরাস জেলায় সিকান্দ্রা রাও শহরের পাশে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে পাশের বাড়িতে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতিকারীরা তাকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় দু’জনকে আটক করা হয়েছে। আনন্দবাজার।

 



মন্তব্য