kalerkantho


সিঙ্গাপুরে মশা তাড়াতে কড়া পদক্ষেপ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৭:১৯



সিঙ্গাপুরে মশা তাড়াতে কড়া পদক্ষেপ

ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক রোগ আজও দূর করা যায়নি। মশার বংশবৃদ্ধি মোকাবিলা করে তার প্রকোপ কিছুটা কমানো যায়। সিঙ্গাপুরে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি কড়া পরীক্ষারও ব্যবস্থা করেছে।

সিঙ্গাপুরে সচেতনতা অভিযানে একটি আকর্ষণীয় গান ব্যবহার করা হয়। সেইসঙ্গে এক পোস্টারে লেখা রয়েছে – ‘হয় তুমি মরবে, অথবা ওরা। চলো, শেষ পর্যন্ত লড়াই করা যাক।' সিঙ্গাপুর এই অভিযানের পেছনে বছরে বেশ কয়েক লক্ষ ডলার ব্যয় করে।

নগররাষ্ট্রে খেলাধুলার জায়গা, হাঁটাপথ বা সুইমিং পুলে প্রায়ই কীটনাশকের ধোঁয়া দেখা যায়। মশা মারতে সপ্তাহে একদিন করে স্প্রে করা হয়।  ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু বাইয়েলো ফিভার মোকাবিলা করতেই এই ব্যবস্থা। কিছু মানুষ এই রাসায়নিক পদার্থকে ক্ষতিকর মনে করে। তবে এই কীটনাশক নাকি সে রকম নয়। সেই সঙ্গে মশা মারতে বেশ কার্যকরও বটে।

জেসিকা চিয়াম এই সংগ্রামে অংশ নিচ্ছেন। তিনি একজন স্বেচ্ছাসেবী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে তিনি বাড়ি গিয়ে বোঝান। যেমন বদ্ধ পানিতে মশার বংশবৃদ্ধির আশঙ্কার কথা বলেন। তাঁর মতে, সিঙ্গাপুরের অনেক মানুষ এখনো এ বিষয়ে বেশ ঢিলেঢালা মনোভাব দেখাচ্ছে। জেসিকা বলেন, ‘‘আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক। কারণ ডেঙ্গু মশা যে কোনো সময়, যাকে খুশি মেরে ফেলতে পারে।''

চিন বি ফং এক সরকারি ইনস্পেকটর। তিনি বাড়িতে ঢুকে মশার বংশবৃদ্ধির প্রমাণ পেলে ১২৫ ইউরো জরিমানা করেন। এমনকি বাথরুমেও ঢুঁ মারেন তিনি। কিন্তু লি ব্যক্তিগত জীবনে এমন হস্তক্ষেপ নিয়ে বিচলিত নন। তাঁর মতে, এতে কোনো সমস্যা নেই। পরীক্ষা না করলে চোখ এড়িয়ে মশারা বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

-ডিডাব্লিউ


মন্তব্য