kalerkantho


১৩২ বছর পর মমি রহস্যের সমাধান!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৬:৩২



১৩২ বছর পর মমি রহস্যের সমাধান!

মিশরের ‘ডেয়ার এল বাহরি’ উপত্যকায় ১৮৮১ সালে একটি মমির সন্ধার পাওয়া গিয়েছিল। মমিটির নাম দেওয়া হয়েছিল  'স্ক্রিমিং' মমি। বহু বছর এই মমি রহস্যের কুলকিনারা করতে পারেন নি কেউ। ১৩২ বছর পর এই মমি রহস্যের সমাধান মিলেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মিশরের বেশ কয়েকজন ফারাওয়ের মমি ছিল ‘ডেয়ার এল বাহরি’ উপত্যকায়। প্রত্নতত্ত্ববিদরা সেগুলো খুঁজে পেয়েছিলেন। তবে এক বিশেষ মমিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল রহস্য।

সেটি এক যুবকের দেহের মমি, যার হাত-পা ছিল বাঁধা। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে আছে তার মুখ। সেই মমি কার, কোথা থেকে এলো-এসব নিয়েই তৈরি হয়েছিল প্রশ্ন।  বর্তমানে কায়রোর মিউজিয়ামে রাখা আছে সেই মমি।

আরো পড়ুন: ধর্ষণের অভিযোগ: নিউজ চ্যানেলের এডিটর গ্রেপ্তার

বিশেষজ্ঞরা জানান, সমাধান মিলেছে সেই রহস্যের। 

ডিএনএ অ্যানালিসিস করে তারা বলছেন, 'এটি আসলে প্রিন্স পেন্টাওয়ারের মমি। তিনি ছিলেন ফারাও তৃতীয় রামসেসের সন্তান। ১১৮৬ থেকে ১১৫৫ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছেন ফারাও রামসেস। মনে করা হয়, বাবাকে হত্যার ছক কষেছিল বলেই ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল প্রিন্স পেন্টাওয়ারকে। মিশরের প্রাচীন কাহিনী থেকে এই সূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। 

আরো পড়ুন: কি-বোর্ডের ‘কি’ কেন এলোমেলো?
 
'স্ক্রিমিং' মমির ঘাড়ের চারপাশের দাগ দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায় এটা সেই প্রিন্স পেন্টাওয়ারের মমি। এমনকি ওই মমির শরীরের নানা অঙ্গচ্ছেদ করা হয়েছিল। এরপর ভেড়ার চামড়ায় মুড়ে দেওয়া হয়েছিল তার দেহ, যা মিশরে অপবিত্র বলে গণ্য করা হত। তৃতীয় রামসেসকে হত্যা করা হয়েছিল কি-না, তা জানা যায়নি। তবে তাকে পিছন থেকে ছুরি মারার প্রমাণ পাওয়া গেছে। 

তথ্যসূত্র: জি-নিউজ 


মন্তব্য