kalerkantho


'গ্রহাণুর মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রাণ আসা সম্ভব'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৫:২০



'গ্রহাণুর মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রাণ আসা সম্ভব'

ছবি অনলাইন

বেশ কিছুদিন ধরেই ধারণা করা হত পৃথিবীতে গ্রহাণুর মাধ্যমে সৌরজগতের বাইরে থেকে প্রাণ এসেছে। কিন্তু গ্রহাণু কি লাখো বছর ধরে প্রাণ সংরক্ষণ করতে এবং তা সফলভাবে পৃথিবীতে নিয়ে আসতে সক্ষম? সম্প্রতি গবেষকরা সে বিষয়টিকেই সম্ভব বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হারভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক একটি গবেষণার ভিত্তিতে বিষয়টিকে সম্ভব বলে মেনে নিয়েছেন।

আরো পড়ুন : সিরিয়ায় মার্কিন জোটের হামলায় কমপক্ষে ৬ রুশ সেনা নিহত

সম্প্রতি মহাকাশে একটি অদ্ভুত আকৃতির গ্রহাণুর সন্ধান পাওয়া গেছে, যার নাম ওউমুয়ামুয়া (Oumuamua)। সে গ্রহাণুটি দ্রুতগতিতে সৌরজগতে এসে পৌঁছায় গত অক্টোবরে। গবেষকরা অদ্ভুত দর্শন সেই গ্রহাণুটিকে পর্যবেক্ষণ করে বেশ আশ্চর্য হয়েছেন।

ওউমুয়ামুয়া গ্রহাণুটি অস্বাভাবিক লম্বা। গ্রহাণুটি  পর্যবেক্ষণের পর গবেষকরা বলছেন শুধু এটিই নয়, এ ধরনের আরো অদ্ভুত ধরনের গ্রহাণু আসতে পারে মহাবিশ্বের অন্যান্য অংশ থেকে। এগুলোর কোনো কোনোটিতে থাকতে পারে প্রাণের চিহ্নও, যা খুব একটা অস্বাভাবিক হবে না।

আরো পড়ুন - বিধ্বংসী পরমাণু বোমা বানাচ্ছে পাকিস্তান : মার্কিন সিনেটে তথ্য

প্যানসপারমিয়া ভাবনা অনুযায়ী, জীবনের উৎপত্তি পৃথিবীতে নয়; বরং অন্য কোথাও। সেখান থেকেই মহাবিশ্বে জীবন ছড়িয়ে যায়। বিভিন্ন গ্রহাণু, উল্কা ও ধূমকেতুর মাধ্যমে এই জীবন বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের মতে, প্রায় ৪০০ কোটি বছর আগে অজানা কোনো স্থান থেকে জীবনের উপাদান পৃথিবীতে এসে পড়ে। সম্প্রতি মহাকাশবিদদের কাছে এই তত্ত্ব ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।

অনেক বিজ্ঞানী ধারণা করেন, সমগ্র মিল্কি ওয়ে জুড়েই প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। গবেষকরা বলছেন, জীবনধারী অন্যান্য গ্রহের মতো পৃথিবী থেকেও মহাবিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জীবন্ত উপাদান স্থানান্তর হয়। আর এভাবেই হয়ত অতীতে পৃথিবীতে প্রাণ এসেছে।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট



মন্তব্য