kalerkantho


এই গ্রামের প্রতিটা পরিবার কোটিপতি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৯:৪৯



এই গ্রামের প্রতিটা পরিবার কোটিপতি!

প্রত্যন্ত এক গ্রামের প্রতিটি পরিবারই রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে উত্তর পূর্ব ভারতের দুর্গম অরুণাচল প্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম বোমজা। কারণ রাতারাতি প্রতিটি পরিবার কোটিপতি হয়ে গেছে খাতায় কলমে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই গ্রামে একটি প্রকল্প রূপায়িত করতে চায়। তার জন্য ব্যয় হবে ৫০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে জমিদাতারা যা সরকারি ক্ষতিপূরণ পেতে চলেছেন তাতে তাঁদের আঙুল ফুলে কলাগাছ। 

প্রতিরক্ষা সূচক প্রকল্পের জন্য মোট ২০০.০৫৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ পাবে মোট ৩১ টি পরিবার। এর মধ্যে ২৯ টি পরিবার পাচ্ছে প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা করে। একটি পরিবার পাচ্ছে ২ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। আর একটি পরিবার জ্যাকপটের থেকেও বেশি‚ ৬ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা প্রায়। ফলে গ্রামের বাসিন্দা সব পরিবারই কোটিপতি হয়ে গেছে। অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু জানিয়েছেন খুব দ্রুত ক্ষতিপূরণের অর্থ হাতে পাবেন গ্রামবাসীরা। অধিগৃহীত জমিতে তাওয়াং সেনাছাউনির লোকেশন প্ল্যান ইউনিট বানাবে সেনাবাহিনী। যার দৌলতে শুধু ভারতেই নয়‚ এশিয়ার মধ্যে ধনীতম গ্রামের তালিকায় এসে গেছে বোমজা।  

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল‚ খাতায়কলমে ভারত তথা এশিয়ার ধনীতম বা সমৃদ্ধতম গ্রাম হল গুজরাতের মাধাপুর। সরকারি নথি বলছে গ্রামের মোট জনসংখ্যা ১৫ হাজার। পার ক্যাপিটা ফিক্সড ডিপোজিট গড়ে ১২ লাখ টাকা। এই গ্রামের মোট ফিক্সড ডিপোজিট ১৮০০ কোটি টাকা। যা সঞ্চিত ডাকঘর ও বিভিন্ন সরকারি ব্যাঙ্কে।

এই গ্রাম থেকে প্রচুর লোক বিদেশে যান কাজের তাগিদে। আমেরিকা‚ ইংল্যান্ড‚ আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশে তাঁরা কাজ করেন‚ মূলত নির্মাণকর্মী হিসেবে। যে মোটা বেতন পান তার বড় অংশ পাঠান গ্রামে‚ পরিবারে। সেই টাকা জমা পড়ে সঞ্চয় প্রকল্পে। গ্রামে মোট ১০ টি ন্যাশনালাইজড ব্যাঙ্কের শাখা আছে। সেখানে জমা আছে অন্তত ৯০০ কোটি টাকা।

তবে গুজরাতের কচ্ছের রনে ভূজের কাছে এই গ্রাম দেখে বোঝার উপায় নেই এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এত বিত্ত। কারণ গ্রামবাসীরা সাবেক বাড়িতে সাধারণ জীবনযাপনেই এখনও অভ্যস্ত। 



মন্তব্য