kalerkantho


৩১ জানুয়ারি চাঁদের অমন রক্তাক্ত হওয়ার রহস্যটা আসলে কী?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:৩১



৩১ জানুয়ারি চাঁদের অমন রক্তাক্ত হওয়ার রহস্যটা আসলে কী?

এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা ঘটতে চলেছে আগামী ৩১ জানুয়ারি! সেই রাতে রক্তের মত টকেটকে লাল রঙ ধারণ করবে চাঁদ। চন্দ্রগ্রহণের রাতে সেই দৃশ্য দেখা যাবে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকেও।

যদিও মহাকাশবিজ্ঞানীদের দাবি, প্রত্যেক চন্দ্রগ্রহণেই লাল রঙের হয়ে ওঠে পৃথিবীর উপগ্রহ। শুধু তার শেড হয় বিভিন্ন রকম। এ বারের ‘ব্লাড মুন’ একটা অন্য কারণে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। আমরা পৃথিবীকে কতটা দূষিত করেছি, তা-ই বোঝা যাবে চাঁদের গাঢ় লাল রঙে।

ভারতের জওহরলাল নেহরু প্ল্যানেটোরিয়ামের শীর্ষস্থানীয় এক বিজ্ঞানী এইচআর মধূসুদন জানিয়েছেন, ‘এটা আসলে একটা হাইপ। সত্যিই এতে বিশেষত্বের কিছু নেই। বাতাসের ধূলিকণার পরিমাণ অনুযায়ী প্রত্যেক চন্দ্রগ্রহণে চাঁদ হাল্কা না গাঢ় লাল হবে, সেটা ঠিক হয়। গাঢ় লাল হওয়াটা শুধু স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে আমাদের আবহাওয়ামণ্ডল কতটা দূষিত।’

সাধারণত চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ায় চাঁদকে দেখা যায় না। এইচ মধূসুদনের কথায়, ‘সেই সময় চাঁদ কালো হওয়া উচিত। তবে পৃথিবীর আবহওয়ামণ্ডল থেকে আলোকের বিচ্ছুরণের কারণে আপনারা একটা লালচে রঙ দেখতে পাবেন। প্রত্যেক চন্দ্রগ্রহণেই চাঁদ লাল থাকে।’ এই একই কারণে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যও লাল থাকে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এইচআর মধূসুদনের কথায় সম্মতি জানিয়ে আরেক ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী টিএস গণেশ জানিয়েছেন, একমাত্র আমেরিকার মানুষ এই দৃশ্য দেখেন ১৫০ বছর পরপর। আর ভারতীয় উপমহাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য কিছু প্রান্তে এই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ১৯৬৩ ও ১৯৮২ সালে। ৩১ জানুয়ারি একইদিনে চাঁদের তিনটি ঘটনার সাক্ষী থাকবে পৃথিবী। একটি সুপারমুন, একটি চন্দ্রগ্রহণ ও একটি ব্লু মুন।



মন্তব্য