kalerkantho


ফেব্রয়ারিতে হতে পারে নির্মাণ কাজ

এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ২১:০১



এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর দিকে ১২ বিঘা জমির ওপর এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হচ্ছে। গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল’ নামের এই প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এতে লিভার, গল ব্লাডার ও প্যানক্রিস, অরগান ট্রান্সপ্লান্ট, ক্যান্সার, ম্যাটারনাল এবং চাইল্ড হেলথ কেয়ার, ডেন্টাল, কার্র্ডিও ভাসকুলার/নিউরোসার্জারি, এনড্রোক্রানোলজি ডায়াবেটিস, রেসপাইরেটরি, জেরিআট্রিক (বয়স্কদের), জয়েন্ট/স্পাইন কর্ড, হার্ট সেন্টার, বার্ন ইনজুরি, হেলথ স্ক্রিনিং, ইমারজেন্সি মেডিক্যাল, এমবুলেটরি সার্জারি এবং হেমোডায়ালাইসিস সেন্টার নামে বিশেষ কয়েকটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সেন্টারে বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। এখানকার পূর্ণাঙ্গ গবেষণা কেন্দ্রে সব ধরণের গবেষণা উপযোগী আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। আশার কথা যে, চলতি বছরের ফেব্রয়ারি মাসের শেষে শুরু হতে পারে এর নির্মাণ কাজ। ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া আহ্বান করা হয়েছে, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটিও মতামত দিয়েছে। বর্তমানে প্রাইস কোটেশন মূল্যায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার এই হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের এক সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। নির্মাণ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতির বিষয়টি অবহিত করেন প্রকল্প পরিচালক ও সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ জুলফিকার রহমান খান। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোঃ আলী আসগর মোড়ল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান দুলাল, পরিচালক (মানবসম্পদ) ডা. জামাল উদ্দিন খলিফা, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা. স্বপন কুমার তপাদার, উপ-প্রকল্প পরিচালক সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ নূর ই এলাহী মীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান কালের কণ্ঠকে বলেন, উচ্চমানসম্পন্ন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষেই বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ এই হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি চালু হলে বিএসএমএমইউর শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল ও উন্নত হবে। দেশের রোগীদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে; সর্বোপরি তুলনামূলক সাশ্রীয় খরচে বা স্বল্প ব্যয়ে দেশেই উন্নত চিকিৎসাসেবা রোগীদেকে প্রদান করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, যথাসময়ে ও দ্রততার সঙ্গে প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ও সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ জুলফিকার রহমান খান বলেন, দেশে উন্নততর চিকিৎসা বিদ্যা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের জন্য অত্যাধুনিক পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা, বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ এবং জনগণের জন্য উচ্চমানসম্পন্ন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ এই হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।



মন্তব্য