kalerkantho


ডেঙ্গু ও জিকা থেকে বাঁচাবে এই মশা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৬:০০



ডেঙ্গু ও জিকা থেকে বাঁচাবে এই মশা

ছবি অনলাইন

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসের মতো মারাত্মক সব রোগের বাহক মশা। আর এসব মশা মারার জন্য প্রচলিত যাবতীয় প্রচেষ্টা একরকম ব্যর্থ হয়েছে। কারণ মশা মেরে ফেললেও তা কিছুদিনের মধ্যেই দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে আবার ফিরে আসে। তাই এবার গবেষকরা সেই মশারই সহায়তা নিলেন মশা মারার জন্য।

মারাত্মক ডেঙ্গু ও জিকা রোগবাহী সব মশা মারার জন্য গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ধরনের মশা। বিষয়টি অনেকটা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতোই। তবে এবার একেবারে আঁটঘাট বেধে নেমেছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে মশাই ব্যবহার করতে হবে। আর এতেই নির্মূল করা যাবে সব মশাবাহিত রোগ।


আরো পড়ুন : জেনে নিন, ডেঙ্গু মশা কীভাবে চিনবেন


সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের এক দ্বীপে আনুষ্ঠানিকভাবে মশা বোঝাই বেশ কয়েকটা বাক্স নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের ব্রাডেল হাইটসের অধিবাসীরা এগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। মশাগুলো তাই ছেড়ে দেওয়া হয় সেখানে।

মশাগুলো কাউকে কামড়ায় না। তারা ফুল-ফল থেকে মধু খায় আর এডিস মশা ধ্বংসের কাজ করে।
এর আগে চীনের গুয়াংজুর কারখানায় উৎপন্ন লাখো মশা সপ্তাহান্তে সাজি আইল্যান্ডে ছেড়ে দিয়ে সাফল্যও পেয়েছেন গবেষকরা।


আরো পড়ুন : চিকনগুনিয়া নাকি ডেঙ্গু, বিভ্রান্তি থেকে বিপদ


গত কয়েক বছর ডেঙ্গুর প্রকোপে অনেক মানুষ মারা গিয়েছিল চীনে। তাই ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিধনে বিশেষভাবে জীবাণুমুক্ত ও অনুৎপাদনশীল এই মশা তৈরির উদ্যোগ নেয় দেশটি।

পরীক্ষাগারে উৎপন্ন মশাগুলো এডিস মশার জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এদের কারণে এডিসের ডিম আর ফুটবে না। তাই প্রকোপ কমবে ডেঙ্গুর। পরীক্ষাগারের পুরুষ মশাগুলো মানুষকে কামড়ায় না বলে স্বস্তিটা আরো বেশি।


আরো পড়ুন : ডেঙ্গু হলে খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রচুর পানি ও তরল খাবার


এর আগে চীনের গুয়াংজু সায়েন্স সিটিতে গড়ে তোলা হয়েছে এ ধরনেরই একটি পরীক্ষাগার। সেখান থেকেও এমন মশা উৎপন্ন করে বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। এ মশাগুলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া হলে মারাত্মক এডিস মশার বংশ একদিন পুরোপুরি ধ্বংস করা যাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

সূত্র : বিবিসি



মন্তব্য