kalerkantho


ভুঁড়িভোজ বা চিনি খাওয়ার পর ঘুম আসে? তাহলেই বিপদ...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৫:২৫



ভুঁড়িভোজ বা চিনি খাওয়ার পর ঘুম আসে? তাহলেই বিপদ...

পেট পুরে ভোজন কিংবা চিনি খাওয়ার পর কি অলস বোধ হয়? মনে হয়ে একটু ঘুমিয়ে নিই? যদি হয় তো আপনি সম্ভবত 'সুগার ক্রাশ' পরিস্থিতিতে ভুগছেন। আর এটা মস্তিষ্কের কার্যক্রম ধীরগতির করে আনে। নতুন এক গবেষণায় এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। 

নিউ জিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অটাগোর গবেষণায় এসব তথ্য উঠে আসে। পরীক্ষায় যারা অংশ নিয়েছিলেন, এ অবস্থার কারণে তাদের মনোযোগ নষ্ট হয়। গ্লুকোজ বা চিনি খাওয়ার পর ধীরগতির হয়ে ওঠেন। কিন্তু যাদের ফ্রুকটোজ বা ফল থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্লুকোজ খান তাদের মধ্যে এ সমস্যা দেখা যায় না। 

প্রধান গবেষক মেই পেং বলেন, আমাদের গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে গ্লুকোজ বা চিনি মানুষকে 'সুগার কোমা'য় নিয়ে যায়। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে আসে। তারা মনোযোগ হারাতে থাকেন। কাজেই চিনি গ্রহণের সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে থাকে। আবার একই কারণে চিনির প্রতি আগ্রহও বাড়ে। 

অতীতের গবেষণায় বলা হয়েছিল, গ্লুকোজ গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু অন্যান্য মস্তিষ্কের কাজে ভিন্নভাবে প্রভাববিস্তার করে যা অনেক ক্ষেত্রেই নেতিবাচক হয়ে ওঠে। 

সাইকোলজি অ্যান্ড বিহেভিয়ার জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্র আরো বলা হয়েছে, ৪৯ জনকে মস্তিষ্কের কিছু পরীক্ষায় বসানো হয়। তবে তার আগে তাদের গ্লুকোজ, সুক্রোজ, ফ্রুকটোজ কংবা সুক্রালুজ খাওয়ানো হয়। পরীক্ষা অতি সাধারণ ছিল। পরিমাপ বিষয়ক গণিত করতে দেওয়া হয় তাদের। পরীক্ষা চলাকালীন অংশগ্রহণকারীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাও পরীক্ষা করা হয়। 

দেখা গেছে, যারা গ্লুকোজ ও সুক্রোজ খেয়েছিলেন তাদের পরীক্ষা অনেক খারাপ হয়েছে। কিন্তু ফ্রুকটোজ ও সুক্রালুজ গ্রহণকারীদের পরীক্ষা ভালো হয়। 

তাই বিষয়টি যখন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, তখন চিনির চেয়ে অনেক ভালো প্রাকৃতিক চিনি ফ্রুকটোজ। 
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস 



মন্তব্য