kalerkantho


ইভাঙ্কার নজরে প্রেসিডেন্ট পদ, বইয়ে জল্পনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১১:০৯



ইভাঙ্কার নজরে প্রেসিডেন্ট পদ, বইয়ে জল্পনা

ছিলেন ফ্যাশন-লাইনের মালকিন। সঙ্গে সামলাতেন বাবার রিয়্যাল এস্টেট সাম্রাজ্য। সেই মেয়ে হঠাৎ প্রশাসনিক স্তরে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন কী করে? সেই খবর ফাঁস হল সম্প্রতি। জানা গিয়েছে, ইভাঙ্কা ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হয়েছেন শতর্সাপেক্ষে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেয়ে-জামাইয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছেন, ভবিষ্যতে সুযোগ এলে ইভাঙ্কাকেই প্রেসিডেন্ট দৌড়ে এগিয়ে দেওয়া হবে। মাইকেল উল্ফ নামে এক সাংবাদিক তাঁর বই ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস-এ এই দাবি করেছেন। উল্ফের দাবি, হোয়াইট হাউসের ভেতর ও বাইরের দুই শোরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সেখানেই তিনি খোলসা করেছেন, নিজের মেয়েকে আমেরিকার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট করতে কেন মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প।


আরো পড়ুন: ইভাঙ্কা ট্রাম্পের এই অজানা তথ্যগুলি


বইটিতে বলা হয়েছে, ইভাঙ্কা ও তাঁর স্বামী জ্যারেড কুশনার সাদা বাড়ির অন্যতম শক্তি-অক্ষ। ক্ষমতার চুড়োয় থাকা এই দম্পতির সঙ্গে টানাপড়েন শুরু হয় প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রণাদাতা স্টিভ ব্যাননের। স্বামী-স্ত্রী জুটিকে জ্যাভাঙ্কা নাম দিয়েছিলেন ব্যানন। চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরে, গত ডিসেম্বরেই জ্যাভাঙ্কা নিয়ে বোমা ফাটিয়েছিলেন ব্যানন। বলেছিলেন, ট্রাম্প আমলের যত ফালতু সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী এই বেকুব স্বামী-স্ত্রী। বুধবারই এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যানন সম্পর্কে বলেছেন, ওর চাকরি গিয়েছে। সঙ্গে মাথাটাও গিয়েছে!


আরো পড়ুন: জাপানের নারীদের কাছে ইভাঙ্কা রোল


রাজনৈতিক কেরিয়ার বানাতে যে খুবই আগ্রহী ইভাঙ্কা,তার কিছুটা ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল তাঁর মা ইভানা ট্রাম্পের আত্মজীবনীতে। রেজিং ট্রাম্প নামে সেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন স্ত্রী লিখেছিলেন, আমার মেয়ের মধ্যে প্রবল রাজনৈতিক চেতনা রয়েছে। সোনার ভবিষ্যৎ অপেক্ষায় রয়েছে ওর। হোয়াইট হাউসের মিডিয়া সচিব সারা স্যান্ডার্স বুধবার দাবি করেছেন, উল্ফ-এর বইটি মিথ্যেতে ঠাসা। কোনও অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে লেখা। লেখক যাঁদের উদ্ধৃত করে নানা তথ্য দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে প্রশাসনের কস্মিনকালেও কোনও যোগাযোগ ছিল না বলেও জাবি করেছেন সারা।

 



মন্তব্য