kalerkantho


তার বাঁ হাতে এখন শোভা পাচ্ছে আস্ত একটা কান!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৭:০৪



তার বাঁ হাতে এখন শোভা পাচ্ছে আস্ত একটা কান!

কেমন হত যদি বাড়তি একটা কান থাকত দেহে? শুধু ভেবেই থেমে থাকেননি স্টেলার্ক। দীর্ঘদিন প্রয়াসের পরে সফল হয়েছে এই অস্ট্রেলীয় শিল্পীর স্বপ্ন।

পার্থ শহরের এই বাসিন্দার বাঁ হাতে এখন শোভা পায় আস্ত একটা কান!

স্টেলার্ক একাধারে শিল্পী এবং কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ১৯৯৬ সালে তিনি প্রথমবার তৃতীয় শ্রবণেন্দ্রিয়র কথা ভাবেন। কিন্তু ১০ বছর লেগে যায় চিকিৎসক খুঁজে পেতে। অবশেষে প্লাস্টিক সার্জারির চিকিৎসকদের চেষ্টায় Biocompatible Material দিয়ে আলাদা ভাবে তৈরি হয় কান। তারপর তা প্রতিস্থাপিত হয় স্টেলার্কের বাঁ হাতে। এখন এর সঙ্গে জুড়ে গেছে স্টেলার্কের নিজের দেহের টিস্যু এবং শিরা-উপশিরা। ফলে এটি স্বাভাবিক জীবন্ত অঙ্গ হিসেবেই আছে। তবে এটা দিয়ে শোনা যায় না।

অবশ্য শোনার জন্য এটা প্রতিস্থাপিত করাননি স্টেলার্ক।

নিজের জন্মগত দুটি সুস্থ স্বাভাবিক কান নিয়েই তিনি সন্তুষ্ট। বাঁ হাতের উপর এই তৃতীয় কান হল জনসাধারণের সেবায়। স্টেলার্ক চান এই কানে বসানো হোক মাইক্রোফোন। ট্র্যাক করা যাক জিপিএস-এ। ফলে ইন্টারনেটের সাহায্যে এই কান দিয়ে শুনতে পারবেন স্টেলার্কের থেকে দূরে থাকা মানুষ। অর্থাৎ স্টেলার্ক যেখানে যেখানে‚ যা যা শুনবেন সবই শুনতে পারবেন দূরবর্তী ইচ্ছুক শ্রোতারা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে। কান লাগোয়া সুইচ সবসময় অন রাখবেন স্টেলার্ক। যাতে তিনি যা শুনছেন সব পৌঁছে দিতে পারেন অন্যদের কাছে।

অবশ্য নিজের দেহ নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা এটাই প্রথম নয় স্টেলার্কের ক্ষেত্রে। প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের পরিবর্তনরত সম্পর্কই তাঁর পরীক্ষার মূল বিষয়। এর আগে তিনি নিজের ফুসফুস‚ কোলোন এবং পাকস্থলীতে ক্যামেরা বসিয়েছেন। কাজ করেছেন তৃতীয় হাত দিয়ে। নিজেকে ঝুলিয়ে রেখেছেন সিলিং-এর হুক থেকে। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল তৃতীয় শ্রবণেন্দ্রিয়।

- ইন্টারনেট থেকে


মন্তব্য