kalerkantho


ফের উড়াল দিতে যাচ্ছে রহস্যময় মার্কিন মহাকাশযানটি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ আগস্ট, ২০১৭ ১৭:৩৪



ফের উড়াল দিতে যাচ্ছে রহস্যময় মার্কিন মহাকাশযানটি

ফাইল ফটো

মার্কিন একটি রহস্যময় মহাকাশযান অজ্ঞাত মিশনে দীর্ঘদিন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। কিছুদিন আগেই মহাকাশে একটানা ৭১৮ দিনের মিশন সম্পন্ন করে পৃথিবীতে ফিরেছিল এক্স-৩৭বি নামে রহস্যময় মার্কিন সেই মহাকাশযান।

কয়েকমাস বিশ্রাম নেয়ার পর আবার আগামী সেপ্টেম্বরে মহাকাশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এটি।

মহাকাশে এক্স-৩৭বি ঠিক কী কাজ করছে, এ বিষয়টি একেবারেই গোপন রেখেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। ব্যাপক গোপনীয়তা এবং রহস্যের মধ্যেই এর কাজ করছে মার্কিন বিমান বাহিনী।

মার্কিন বিমান বাহিনীর এক্স-৩৭বি মহাকাশযানটি দুই বছর ধরে গোপন মিশনে ছিল। এটি মহাকাশে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিল। গত দুই বছর ধরে এ মহাকাশযানটি কক্ষপথে কী করছিল সেটি কেউ জানেনা। একমাত্র মার্কিন কর্তৃপক্ষই জানে। মার্কিন বিমান বাহিনী যেসব গোপন মিশন পরিচালনা করে এ মহাকাশ যানটি তারই অংশ ছিল।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে এ মহাকাশযানটি ঝুঁকি কমানোর কাজ করছিল।

কিন্তু এর বিস্তারিত কোনো কিছু আর জানানো হয়নি। এ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে যেহেতু চরম গোপনীয়তা বজায় রাখা হওায় নানা গুজবও ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেকে ধারণা করছেন, মহাকাশকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করছে। কিন্তু মার্কিন বিমান বাহিনী এ ধরনের গুঞ্জনকে খারিজ করে দিয়ে বলছে, ভবিষ্যতে মহাকাশ প্রযুক্তিকে নির্ভুল করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে এ মহাকাশযানটি।

এ প্রকল্পের জন্য কত ডলার খরচ করা হয়েছে সে বিষয়টিও গোপন রাখা হয়েছে। ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো এ বিশেষ মহাকাশযানটি উড্ডয়ন করা হয়েছিল।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা নাসা মহাকাশে যেসব যান পাঠায় সেগুলোর আকৃতির তুলনায় এ বিশেষ মহাকাশযানটি এক-চতুর্থাংশ। এটির দৈর্ঘ্য মাত্র ২৯ ফুট।

শেষবার এক্স-৩৭বি মহাকাশযানটি অবতরণ করে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে।

সর্বশেষ মিশনে ২০১৫ সালের ২০ মে পৃথিবী থেকে মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মার্কিন বিমান বাহিনীর এক্স-৩৭বি মহাকাশাযানটি। এরপর থেকে তা একটানা ৭১৮ দিন অতিবাহিত করে।

এতে কোনো মানুষ নেই। সম্পূর্ণ দূর নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পৃথিবী থেকে এটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

নাসা ১৯৯৯ সালে প্রথম এক্স-৩৭ তৈরি করেছিল। মহাকাশ খেয়া হিসেবে একে তৈরি করা হয়। প্রয়োজনে কক্ষপথে স্থাপন করা যাবে এবং কাজ শেষে পৃথিবীতে ফিরে আসবে অর্থাৎ বারবার ব্যবহারের উপযোগী করে একে বানানো হয়।

সূত্র : ফক্স নিউজ


মন্তব্য