kalerkantho


এমএইচ ৩৭০ : দুর্ঘটনাস্থল আরও উত্তরে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ এপ্রিল, ২০১৭ ১৪:১০



এমএইচ ৩৭০ : দুর্ঘটনাস্থল আরও উত্তরে!

মালয়েশিয় এয়ারলাইন্সের হারিয়ে যাওয়া ফ্লাইট ৩৭০ নিয়ে যেন রহস্য কাটছেই না। বহু অনুসন্ধানেও মেলেনি ফ্লাইটটি কোথায় ধ্বংস হয়েছে তার কোনো চিহ্ন।

তবে সম্প্রতি গবেষকরা কিছু তথ্যে নিশ্চিত হয়েছেন ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ ধ্বংস হয়েছে নির্দিষ্ট স্থানের আরও কিছুটা উত্তরে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।
প্রায় দুই বছর হয়েছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী ফ্লাইট এমএইচ-৩৭০ এর নিখোঁজ হওয়ার। এ দুই বছরে ভারত মহাসাগরের কিছু অংশ তন্ন তন্ন করে অনুসন্ধান পরিচালনা করেছে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বে বহুজাতিক উদ্ধারকারী দল। তবে সে স্থানে কোনো ধ্বংসস্তুপ পাওয়া যায়নি। সাগরের গভীরেও কিছু পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে অধিকাংশ অনুসন্ধানও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে সম্প্রতি গবেষকরা বলছেন অনুসন্ধান এলাকার আরও কিছুটা উত্তরে খোঁজ করলে মিলতে পারে ধ্বংসাবশেষ।
অবশ্য বিমানটির ধ্বংসাবশেষ মহাসাগরের সম্ভাব্য ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানে পাওয়া না গেলেও ফ্রান্সের রিউনিয়ন দ্বীপসহ বেশ কিছু জায়গায় ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকে পাওয়া গেছে একটি প্লেনের ধ্বংসাবশেষ, যা এমএইচ-৩৭০ এর নিখোঁজ হওয়ার রহস্য উন্মোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২০১৪ সালের ৮ মার্চ ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ-৩৭০। এর পর থেকে আজ পর্যন্ত প্লেনটি বা এর আরোহীদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বেশ কিছুদিন আগেই গবেষকরা রিইউনিয়ন দ্বীপে পাওয়া বিমানটির একটি ধ্বংসাবশেষ নিয়ে অনুসন্ধান করেন। তারা সাগরে এর গতিপথ কেমন হতে পারে তা নিয়েও অনুসন্ধান করেন। এতে পাওয়া ফলাফলেই ধারণা করা হয়েছে মূল অনুসন্ধান এলাকা থেকে আরও কিছুটা উত্তরে হতে পারে ফ্লাইট এমএইচ-৩৭০ ধ্বংসের স্থান।
এখন নতুন স্থানে অনুসন্ধান শুরু হয়নি। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া সরকারের কাছে ভারত মহাসাগরের প্রায় ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটারের সম্ভাব্য এলাকাটির তথ্য পাঠানো হয়েছে। এখন সে স্থানে অনুসন্ধান চালাবে কি না, তা মালয়েশিয়া সরকারের নেতৃত্বাধীন অনুসন্ধানকারী দলের সিদ্ধান্তের বিষয়।


মন্তব্য