kalerkantho


প্রথম দেশ হিসেবে নারী-পুরুষের সমান বেতন নিশ্চিত করবে আইসল্যান্ড

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৭ ১৭:০৬



প্রথম দেশ হিসেবে নারী-পুরুষের সমান বেতন নিশ্চিত করবে আইসল্যান্ড

সারা বিশ্বেই নারী-পুরুষের বেতনে বৈষম্য রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একই কাজ করার পরেও নারীরা কম বেতন পায়।

তবে এ বিষয়টি আইন করে সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে আইসল্যান্ড। এতে করে উভয়েরই সমান বেতন পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাইট সাইড।
নারী পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনার দিক থেকে আইসল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রগামী দেশ। তবে তার পরেও এ দেশটিতে নারী-পুরুষের বৈষম্য রয়েছেই। স্বাভাবিকভাবে আইসল্যান্ডে একজন নারী পুরুষের তুলনায় ১৪ থেকে ১৮ শতাংশ কম বেতন পায়। এ বৈষম্য দূর হবে নতুন আইনে, এটাই আশা করছেন আইনপ্রণেতারা।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নারী অধিকার কর্মীরা দেশটির বিদ্যমান এ বৈষম্য দূর করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করছিলেন। এজন্য ২০১৬ সালের অক্টোবরে প্রতিদিন ২:৩৮ মিনিটে দেশটির পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। আর এ আন্দোলনের দাবিগুলো অত্যন্ত জোরালো ছিল।
আন্দোলনকারীদের স্লোগান ছিল, ‘সমান অধিকার হলো মানবাধিকার। ’ এ বিষয়ের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে দেশটির সমতা ও সামাজিক বিষয়ের মন্ত্রী থরস্টেইন ভিগলান্ডসন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা উচিত। ’
অসংখ্য মানুষ এ দাবিতে কর্মসূচি পালন করে। এতে দেশটিতে সমান বেতনের ব্যাপারে জনমত গঠিত হয়। ফলে সরকারও এ বৈষম্য দূর করার জন্য উদ্যোগী হয়েছে।
পরবর্তীতে নারী-পুরুষের এ বৈষম্যমূলক বেতন দূর করার জন্য আইন প্রণয়ন করার ঘোষণা দিয়েছে আইসল্যান্ড। এজন্য তারা নতুন একটি আইন উপস্থাপন করেছে। নতুন আইনে যেসব প্রতিষ্ঠানে ২৫ বা এর বেশি কর্মী থাকবে তাদের সমান বেতনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সেজন্য একটি সার্টিফিকেন নিতে হবে। আর ২০২২ সালে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর দেশটিতে আর বেতন বৈষম্য থাকতে পারবে না বলে জানাচ্ছেন আইনপ্রণেতারা।


মন্তব্য