kalerkantho


রহস্যময় এই গুহায় প্রবেশ করলে শরীর নীল এবং মুখ বিশ্রী হয়ে যায়!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ মার্চ, ২০১৭ ০৯:১৪



রহস্যময় এই গুহায় প্রবেশ করলে শরীর নীল এবং মুখ বিশ্রী হয়ে যায়!

রহস্যময় একটি গুহা। গুহার মধ্যে প্রবেশ করলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আবার কারো কারো মুখ বিশ্রী ও শরীর নীল হয়ে গেছে! এই গুহাটি ভারতের কালকা-শিমলা হাইওয়ের সমুদ্রতল থেকে ৭০০০ হাজার ফুট উঁচু ক্যারোল পাহাড়ে অবস্থিত।

দেবভূমি হিমালয়ের প্রাচীন এবং ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গুহা আজও রহস্যময়। কথিত আছে যে পাণ্ডবদের ছাড়া আর কেউ এই গুহায় প্রবেশ করতে পারেনি। বহু সন্ন্যাসী এবং তান্ত্রিক এই গুহাতে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। যাদের মধ্যে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আবার কারো কারো মুখ বিশ্রী ও শরীর নীল হয়ে গেছে।

গুহাতে প্রবেশের পথেই শিবলিঙ্গ এবং শিশনাগের মতো আকৃতি দৃশ্যমান হয়। সোলানে এটি ক্যারল বালিয়াড়ি নামে পরিচিত। গ্রামের মানুষ মনে করেন গুহার ভেতর অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে। এই রহস্যের সমাধান এখনো পর্যন্ত বৈজ্ঞানীরা করতে পারেননি।

গুহার ভেতরে শুধুমাত্র ৫০ ফুট পর্যন্ত পরিদর্শন করা যেতে পারবে।

গুহার ভেতরে পানি থাকার কারণে এই স্থানটি খুব পিচ্ছিল। ল্যান্ড স্লাইডের কারণে পাথরও পড়তে থাকে।

কথিত আছে যে গুহার ভেতরে ভগবান শিবই শুধুমাত্র নয় পাণ্ডবরাও তপস্যা করেছিলেন। কিংবদন্তি অনুযায়ী শকুনি যখন পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা করেছিল তখন ভীষ্ম পিতামহ পাণ্ডবদের পালিয়ে যাওয়ার জন্য এই গুহা নির্মাণ করেছিলেন। পাণ্ডবরা এখানে পাঁচ বছর ধরে ছিলেন। গুহার ভেতরে বহু অদ্ভুত জিনিস রয়েছে। যেটা দেখার পর কেউ গুহার ভেতরে প্রবেশ করার সাহস পান না।

গ্রামবাসীরা মনে করেন ক্যারল পাহাড়ে সঞ্জীবনী গাছ এবং দুর্লভ গাছপালা রয়েছে। তাদের মতে হনুমান যখন কৈলাস পর্বত নিয়ে উড়ছিলেন তখন তার কিছু অংশ পড়েছিল ক্যারোলে।
সূত্র : ইন্টারনেট


মন্তব্য