kalerkantho


পৃথিবীর অবিশ্বাস্য ৫ জায়গা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ মার্চ, ২০১৭ ১০:১৩



পৃথিবীর অবিশ্বাস্য ৫ জায়গা

পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যা আমাদের চোখকেও বিশ্বাস করতে দেয় না। যতই জানবার চেষ্টা করবেন, ততই হারিয়ে যাবেন।

এমনই ৫ জায়গার কথা জেনে নেয়া যাক-

বয়লিং মাড, নিউজিল্যান্ড:
নিউজিল্যান্ডের অন্যতম আকর্ষণ টাওপো লেকে ফুটন্ত কাঁদা-মাটি দেখতে পাওয়া যায়। গবেষকদের ধারণা মতে, নদী ও লেকের এই নির্দিষ্ট জায়গার পানি উত্তপ্ত পাথরের উপরে প্রবাহিত হয় বলে এই অবস্হার সৃষ্টি হয়েছে।

ডন জ পুকুর:
১৯৬১ সালে এ্যান্টার্টিকার এই জায়গাটি আবিস্কৃত হয়। এই পুকুরের পানি সমুদ্রের পানি থেকে ১৮ গুণ বেশি লবণাক্ত। অত্যন্ত লবণাক্ত পানির কারণে জায়গাটি রহস্য সৃষ্টি করেছে। এই পুকুরটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৩০০ ফুট, প্রস্হ ১০০ ফুট এবং গভীরতা .১০ মিটার। এই জায়গার তাপমাত্রা -৩০ ডিগ্রী কমে গেলেও অতি লবণাক্ততার জন্য এই পুকুরের পানি কখনও সম্পূর্ণ জমে যায় না।

রক্তের জল প্রপাত , এন্টার্টিকা:
বরফের মাঝে রক্তের ছাপ। কথা নেই, বার্তা নেই, কোথা থেকে আসে এই রক্ত? এন্টার্টিকার এই জল প্রপাতকে বলা হয় রক্তের জল প্রপাত।

গবেষকদের মতে, সেখানকার মাটিতে থাকা আয়রন ও সালফারের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় পানির রঙ লাল হয়। এই লাল পানিই বরফের মাঝে রক্তের প্রপাত মনে হয়। কিন্তু অবাক বিষয় হল, এত ঠাণ্ডায় সেই পানি কেন জমে না!

ম্যাগনেট পাহাড়, নিউ ব্রান্সউইক:
পাহাড় এর মত উচু স্থান থেকে কিছু ছেড়ে দিলে তা নিচের দিকেই গড়িয়ে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে যদি হয় উল্টোটা? নিউ ব্রান্সউইকের এক পাহাড়ে সব কিছু টেনে নেয় উপরের দিকে। তাই ধারণা করা হয় পাহাড়ে বুঝি চুম্বক আছে। তাই একে বলা হয় ম্যাগনেট পাহাড়। ১৯৩০ সাল পর্যন্ত এ আকর্ষণ বেশ জোরালো ছিলো, রহস্যময় কারণে তা কমে যায় এরপর।

ডোর টু হেল:
মধ্য এশিয়ার টারমেনিস্তানে অবস্থিত এটি এক জ্বলন্ত গর্ত। জ্বলন্ত জায়গাটি ডোর টু হেল নামে পরিচিত। ১৯৭১ সাল থেকে জায়গাটি অবিরত দাউ দাউ করে জ্বলছে। প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে বিষাক্ত গ্যাসের ব্যাপারে গবেষকরা নিশ্চিত হন। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, এই গ্যাস জ্বালিয়ে শেষ করা হবে। ফলে এখানে গর্ত করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়। ধারণা ছিল অল্প কদিনেই এই আগুন নিভে যাবে। তবে এখনও তা জ্বলে চলছে একই তেজে।

এ্যাডভেঞ্চার ব্যক্তিদের জন্য এই রহস্যময় জায়গাগুলো নিঃসন্দেহে হবে রোমাঞ্চকর। তাই যদি আপনিও নিজেকে এ্যাডভেঞ্চারাস মনে করেন তাহলে সময় নিয়ে বেরিয়ে পরুন এগুলোর যে কোন এক গন্তব্যে।

 


মন্তব্য