kalerkantho


রকমারি পেশার ঝকমারি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৭ ২১:২১



রকমারি পেশার ঝকমারি

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তবেই পকেটে আসে লক্ষ্মী। তবে দুনিয়াতে কতরকমের যে আজব পেশা আছে তার ইয়ত্তা নেই।

সেরকমই কিছু আনা হল এক জায়গায়।

প্রোফেশনাল কাডলার
কাজের চাপে, মানসিক অবসাদে, সম্পর্কের টানাপোড়েনে বা অন্য কোনও কারণে যাঁদের জীবন শান্তি-নিদ্রাহীন, তাঁদের আদর-আশ্লেষ দিয়ে ঘুম পাড়ান এই পেশাদার আদরওয়ালারা।

পেট ডিটেকটিভ
হারিয়ে যাওয়া এবং অপহৃত পোষ্যদের খুঁজে বের করাই এঁদের কাজ। আমদানি কিছু মন্দ হয় না। কারণ সেরকম বিত্তবান পশুপ্রেমীরা পোষ্যদের ফিরে পেতে সব কিছু খরচ করতে পারেন।

প্রোফেশনাল হুইসলার
এঁদের কাজ শিস দেওয়া। গান, জিঙ্গল যেখানে হাজির এই পেশাদার শিসওয়ালারা।

লাইভ ম্যানেকুইন
প্লাস্টিকের পুতুল নয়। অনেক বিপণির কাচের শো কেসে সাজানো থাকে জীবন্ত ম্যানেকুইন।

প্রধান শর্ত হল নিষ্পলক এবং স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পারিশ্রমিক নেহাত মন্দ নয়।

ফার্নিচার টেস্টার
বাড়ির আসবাব কতটা আরামদায়ক, সেটাই পরখ করেন এঁরা।

আইসক্রিম টেস্টার
পৃথিবীতে বোধ হয় এঁদেরই আইসক্রিম খেতে ভাল লাগে না। কারণ এঁদের কাজই যে নানা ধরনের আইসক্রিম খেয়ে স্বাদ পরীক্ষা করা। তাই একঘেয়েমি আসতে যে বাধ্য!

পেট গ্রুমিং
কুকুর বিড়াল-সহ বিভিন্ন পোষ্যদের আরও সুন্দর করাই এঁদের কাজ। কাজ পান পেট স্টোর এবং পেট বুটিক-এ।

রোডেন্ট কিলার
রোডেন্ট বা মেঠো ইঁদুর। যখন বাড়ে ডাক পড়ে এঁদের। এঁরা হলেন পেশাদার ইঁদুর নিধনকারী।

বিন্দুতে সিন্ধুদর্শন হয়তো হল না। এরকমই আরও বহু আজব পেশ ছড়িয়ে আছে পৃথিবীতে। কিছু আমরা জানি। বেশিরভাগ মুখ লুকিয়ে থাকে প্রচারের আড়ালে।

- ইন্টারনেট


মন্তব্য