kalerkantho


ফেসবুকে সহকর্মীদের অশ্লীল ছবি, তদন্তের মুখে মার্কিন নৌসেনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ মার্চ, ২০১৭ ১৯:৪২



ফেসবুকে সহকর্মীদের অশ্লীল ছবি, তদন্তের মুখে মার্কিন নৌসেনা

মার্কিন নারী নৌসেনাদের অশ্লীল ছবি ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার করা হচ্ছিল। কারা করছিল? কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসলো।

এরপর তদন্তে জানা গেল, এই অপকর্মটি করছিলেন একই বাহিনীর পুরুষ নৌসেনারা।  

তদন্ত আরও এগোতে দেখা গেল- ঠগ বাছতে কম্বল উজার হওয়ার জোগাড়! অর্থাৎ অপরাধটি রীতিমতো গণঅপরাধে পরিণত হয়েছে। কারণ, দেখা যাচ্ছে শত শত নৌসেনার দিকে যাচ্ছে সন্দেহের তীর।  

‘মেরিন্স ইউনাইটেড’  নামের ওই ফেসবুক গ্রুপে হাজারো ছবি।  গ্রুপে সদস্যদের মধ্যে অনেক নারী আছেন যারা এখনো মার্কিন নৌবাহিনীতে কর্মরত।  

লন্ডনের ডেইলি মেইল জানায়, সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং এবং দ্য ওয়ার হাউস নামক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফেসবুকের এই সিক্রেট গ্রুপের ফলোয়ার ৩০ হাজার। অনেকেই ‘নোংরা ছবি কেলেংকারির’ শিকার নারীদের কুরুচিপূর্ণ আর উত্তেজক মন্তব্য করছে। তদন্তে ৩০ জানুয়ারি থেকে নিয়ে এ পর্যন্ত এ ধরনের ঘটনার শিকার দুই ডজন নারীকে শনাক্ত করা গেছে।  

মার্কিন নৌবাহিনীর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন রেয়ান এরবিস বলেন, যারাই এ ধরনের গোপন গ্রুপ চালায় তারা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে থাকে।

এ কারণে তাদের পাকড়াও করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন ঘটনায় লোকজন উল্টো ঘটনার শিকারদেরই দোষী সাব্যস্ত করে বসে। আমরা এই বিষয়টি নিয়েই বেশি চিন্তিত। তারা এইসব ছবি ব্যক্তিগতভাবে রাখার জন্য তুলেছিলেন আর ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই এসব ফাঁস করে দিয়েছে।  

তিনি আরও বলেন, এই অপকর্ম আমাদের ভাবমূর্তির জন্য হানিকর হয়েছে। এর সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ বিসয়টি নিয়ে জোর তদন্ত শুরু করেছে।  

এদিকে, দ্য ওয়ার হাউজের সাংবাদিক ও সাবেক মেরিন সেনা থমাস ব্রেনন জানান, এই অপকীর্তি ফাঁস করে দেওয়ায় তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।  

অপরদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পক্ষে বিপক্ষে ব্যাপক তর্কযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।

 


মন্তব্য