kalerkantho


বাঘদের মাথার ওপর চক্কর কাটছে ড্রোন, তারপর ...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:২৮



বাঘদের মাথার ওপর চক্কর কাটছে ড্রোন, তারপর ...

বাঘেদের মাথার উপর চক্কর কাটছে একটি ড্রোন। লাফিয়ে সেটি ধরার চেষ্টা করতে করতে সেটিকে থাবাবন্দি করেই ফেলল তারা। সোশ্যাল মিডিয়ার এই ভাইরাল ভিডিও উস্কে দিল বিতর্ক।  চীনের হারবিন প্রদেশের সাইবেরিয়ান টাইগার পার্কের ভিডিও দেখার পরে এখন এটাই প্রশ্ন পশু প্রেমীদের। টাইগার পার্কের আড়ালে এখানেও কি চোরাকারবারীদের রমরমা? আশঙ্কা সত্যি হলে, সাইবেরিয়ান বাঘেদের প্রাণ যে বিপন্ন, তা নিশ্চিত।
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের পরেই আকারে ও সৌন্দর্যে সাইবেরিয়ান টাইগারের নাম। চিনের হারবিন প্রদেশে বরফ ঢাকা অরণ্যে দেখা মেলে আমুর টাইগারদের। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সাইবেরিয়ান বাঘেরা একটি  ড্রোনকে শিকার ভেবে খেলা করছে। তাদের সাম্রাজ্যে এমন উটকো ঝামেলাকে পেড়ে ফেলার চেষ্টাও করতে থাকে তারা।
ভিডিওটি  সোশ্যাল সাইটে রীতিমত ভাইরাল হযে যায়। ক্লিপটি দেখার পরেই সায়েন্স জার্নালিস্ট জন প্লাটের দাবি, আপাতত নিরীহ এই ভিডিওটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর সত্য।

চিনে বাঘের হাড় ব্যবহার করে কিছু তৈরির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় ১৯৯৩ সালে। কিন্তু আটকানো যায়নি চোরাকারবারীদের। লক্ষ লক্ষ ডলারের বিনিময়ে এখনও অবাধে পাচার করা হয় সাইবেরিয়ান বাঘের হাড় থেকে তৈরি বোন ওয়াইন।
নেশার জোগান থেকে ওষুধ সবেতেই ভালো চাহিদা এই বোন ওয়াইনের। তাহলে কি এই পার্কের আড়ালেও চলছে সেই কারবার। বাঘেদের গতিবিধি দেখার জন্যে পার্ক কর্তৃপক্ষই কি ড্রোন ব্যবহার করে? পার্কের টাইগার ব্রিডিং সেন্টারে সম্ভবত এরকম কাজই চালানো হয়। প্রমাণ এখনও পাওয়া না গেলেও আশঙ্কায় ভুগছেন পশুপ্রেমীরা।
থাইল্যান্ডের টাইগার টেম্পলে আড়ালে কী ভাবে সেখানে পশুদেহের বিভিন্ন অংশ পাচার করা হচ্ছিল, তা এখন সবার জানা। ২০১৬ সালের মে মাসে থাইল্যান্ড বনদফতর নজরদারি চালিয়ে বৌদ্ধ মঠ থেকে ৪০টি  শিশু বাঘের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধার করা হয়েছিল ১৩৭টি বাঘের চামড়াও।  সেই স্মৃতি ফের উসকে দিল হারবিন প্রদেশের সাইবেরিয়ান টাইগার পার্ক।

 


মন্তব্য