kalerkantho


'যখন মাদকাসক্ত ছিলাম, সেই আমি আর ছাড়ার পর এই আমি!'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:০৪



'যখন মাদকাসক্ত ছিলাম, সেই আমি আর ছাড়ার পর এই আমি!'

জীবনটাকে শেষ করে দিতে সব সময়ই এক ভয়ংকর থাবা বসায় মাদক। কোকেইন, হেরোইন এবং মেথাফেটামাইনের মতো প্রাণঘাতী নেশাগুলো অভ্যাসের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। অনেকেই সৃষ্টিশীল কাজে সহায়তাকারী অজুহাত দেখিয়ে মাদকের ব্যবহার শুরু করেন। কিন্তু খুব শিগগিরই তা নেশায় পরিণত হয় যা ছাড়া জীবনটা অচল হয়ে পড়ে। এ সময়টা এমনভাবে কাটে যা ছাড়া জীবন চলে না। মারাত্মক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা থাকলেও সবাই ভাবেন, এমন কী আর ঘটবে? কিন্তু যা ঘটার ঘটতেই থাকে। অনেকেই এই কড়াল গ্রাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না। কিন্তু যারা পারেন তারা দারুণ ভাগ্যবান। সেই মানুষগুলোকেই তুলে আনা হয়েছে এখানে। মাদক গ্রহণের সময় এবং ছাড়ার পর তাদের ছবিই বলে দেবে পার্থক্যটা। জীবনটা কত বদলে যায় তা এখানেই সুস্পষ্ট।

দেখে নিন এবং সচেতন হোন। চারপাশের মানুষকেও সচেতন করুন। প্রত্যেক ছবির বাম পাশে মাদক গ্রহণের সময়কার চেহারা দেখুন। আর মাদক ছাড়ার পর তাদের অবস্থা দেখুন ডানের ছবিতে। মাদকগ্রহণকারীদের নিজেদের ভাষায় অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে।

১. এই নারীর ছবিটি দেখুন। বামের ছবি মাদক গ্রহণের সময়কার। ১৪ বছর হতে চলেছে তিনি মেথ এবং হেরোইন থেকে মুক্ত আছেন। এই নারী জানান, মাদক গ্রহণের কারণে আমি আটক হয়েছিলাম পুলিশের হাতে। কিন্তু ঈশ্বরের সহায়তায় বেরিয়ে আসতে পারি। বিএ পাস করেছি এবং এখন জীবনটা আমার কোনো মানুষের জীবন বলেই মনে হয়।

 

২. উনিশ বছর বয়সে বন্ধুর কাছ থেকে ক্রিস্টাল মেথ চুরি করে গ্রহণ করি। সেই থেকে শুরু। তখন ওজন ছিল আমার ১০০ পাউন্ড। এই মাদকের জন্য আমি মিথ্যা বলেছি, কত অপকর্ম করেছি। কেউ হয়তো বিশ্বাস করবেন না। আমি এখন মাদকমুক্ত এক মেয়ে।

 

৩. হেরোইনের আসক্ত ছিলাম আমি। কিভাবে যেন ১৮ মাস কেটে গেল। আমি কোনদিন ভাবতে পারিনি এমন সময় যাবে। আমি এখন সতেজ এক নারী।    

 

৪. হেরোইন ছাড়ার ৮২৬ দিন পর চেহারা এমন হয়ে যায়! একবার পুলিশও ধরেছিল। জেলে ছিলাম ৩৬ দিন। অনেক বাজে সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়ি। কিন্তু অবশেষে ছাড়তে পারি।

 

৫. এই ছবিটি আমার জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে। তখন মেথ গ্রহণ করতাম। ছবিতে দেখলেই বোঝা যায়, আমি এক পরাজিত নারী ছিলাম। আর এখন সত্যিকার জীবনে ফিরে এসেছি। ৬ বছর হয়েছে সব মাদক থেকে মুক্ত হয়েছি।

 

সূত্র: ইন্টারনেট

 


মন্তব্য