kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (২৬)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:০৪



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (২৬)

শুদ্ধ উচ্চারণে সুন্দর করে কথা বলতে কে না চায়!
বাংলা্ উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই। বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

২৮ পর্বে সাজানো এ ধারাবাহিকের আজ থাকছে পর্ব ২৬।

হ স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হলে উচ্চারণে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয় না। কিন্তু হ-এর সঙ্গে ব, ম, ণ, ন, ল ইত্যাদি বর্ণ যুক্ত হলে সম্মিলিত ধ্বনির উচ্চারণে মনে হয় হ-এর স্থানচ্যুতি ঘটেছে। আসলে এসব ক্ষেত্রে হ-সংযুক্ত বর্ণ মহাপ্রাণ হয়ে থাকে। যথা-আহ্বান (আওভান), বিহ্বল (বিওভল), জিহ্বা (জিওভা), অপরাহ্ন (অপোরান্‌নোহ), চিহ্ন (চিন্‌নোহ), আহ্লাদ (আল্‌লাদ), আহৃত (আরিহ্‌তো)।

বিসর্গ (ঃ) : পদমধ্যে ব্যবহৃত বিসর্গ পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ দ্বিত্ব করে দেয়।

যথা-দুঃখ (দুক্‌খো), নিঃসঙ্গ (নিশ্‌শঙ্গো), নিঃশেষ (নিশ্‌শেশ), অতঃপর (অতোপ্পর)।
সৌজন্যে : ভাষা শহিদ কলেজ

 


মন্তব্য