kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (২১)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:৩৬



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (২১)

বাংলা উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই।

বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

২৮ পর্বে সাজানো এ ধারাবাহিকের আজ থাকছে পর্ব ২১।

ম-ফলা যে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, বাংলা উচ্চারণে সে ব্যঞ্জনধ্বনির দ্বিত্ব হয়-পদ্ম (পদ্‌দোঁ), আত্মা (আত্‌তাঁ, গ্রীষ্ম (গ্রিশ্‌শোঁ), ভস্ম (ভশ্‌শোঁ), অকস্মাৎ (অকোশশাঁৎ) ইত্যাদি। গ, ট, ণ, ন এবং ল-এর সঙ্গে ম-ফলা সংযুক্ত হলে উচ্চারণ অবিকৃত থাকে। যেমন-উন্মাদ (উন্‌মাদ), চিন্ময় (চিন্‌ময়), হিরণ্ময় (হিরন্‌ময়) ইত্যাদি।  
ল-গুল্ম (গুল্‌মো), শাল্মলী (শালমোলি), বাল্মীকি (বালমিকি) প্রভৃতি। গ-বাগ্মী (বাগ্‌মি), যুগ্ম (জুগ্‌মো) ইত্যাদি।



সৌজন্যে : ভাষা শহিদ কলেজ


মন্তব্য