kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৮)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:১১



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৮)

বাংলা উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই। বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

২৮ পর্বে সাজানো এ ধারাবাহিকের আজ থাকছে পর্ব ১৮।

বাংলা লিখিত ভাষায় যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ আছে, তার মধ্যে ণ, শ, ষ, স, ং, ঞ, ৎ এসব একক বর্ণের এবং জ্ঞ, ক্ষ প্রভৃতি যৌগিক ব্যঞ্জনের স্বতন্ত্র উচ্চারণ শোনা যায় না। এর মধ্যে ঞ-এর উচ্চারণ অনুনাসিক হয় অর্থাৎ ইয়ঁ-এর মতো, আবার শব্দের মধ্যে চ বর্গের চারটি বর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত হলে ঞ-এর উচ্চারণ দন্ত্য ন-এর মতো হয়ে যায়-কঞ্চি (কোনচি), পঞ্চ (পনচো), অঞ্জলি (অনজোলি), ব্যঞ্জন (ব্যানজোন), বাঞ্ছা (বানছা), অন্যত্র মিঞা (মিয়াঁ) ইত্যাদি।

সৌজন্যে : ভাষা শহিদ কলেজ
 


মন্তব্য