kalerkantho


এলিয়েনের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া যাবে ২০ বছরের মধ্যেই : নাসা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:০৪



এলিয়েনের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া যাবে ২০ বছরের মধ্যেই : নাসা

এলিয়েন বা ভিনগ্রহের অধিবেশীদের নিয়ে পৃথিবীতে চাঞ্চল্যের যেন শেষ নেই। তবে এত জল্পনা-কল্পনা যে প্রাণীদের নিয়ে, তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কেই এখনও নিশ্চিত নই আমরা। আর এ অবস্থা মোটেই স্বস্তিকর নয়। তবে আশার কথা শুনিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
বহুদিন ধরেই মানুষ অপেক্ষা করে রয়েছে, ভিন গ্রহে কোনো প্রাণী আছে কি না, তা জেনে নেওয়ার জন্য। আর এ প্রতীক্ষার অবসান হবে আগামী ২০ বছরের মধ্যেই, এমনটাই জানালেন নাসার সিনিয়র গবেষক।
বহুদিন অনুসন্ধানেও মহাকাশে কোনো গ্রহে মানুষের মতো প্রাণীর সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। দূরবর্তী অংশে গ্রহ-নক্ষত্র থাকার কারণে সেগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভও কঠিন। তাই আপাতত সৌরজগতের সবগুলো গ্রহ ও উপগ্রহই খুঁজে দেখা হচ্ছে প্রাণের সন্ধানে। আশা মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী না হোক অন্তত জীবাণু তো পাওয়া যাবে।

তবে সে অনুসন্ধানে এখনও কোনো প্রাণী পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি নাসা বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযান শুরু করছে। আর সে অভিযানটি অন্য সব অভিযানের চেয়ে নিবিড় ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযানটি ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পরিচালিত হবে।
নাসার সিনিয়র কর্মকর্তা ড. কেভিন হ্যান্ড ইউরোপা অভিযানের সঙ্গে জড়িত। তিনি জানান, উপগ্রহটিতে কোনো প্রাণী রয়েছে কি না, তা জানা যাবে এ অভিযানে।
এ অভিযানে প্রাথমিকভাবে ইউরোপার ভূপৃষ্ঠে অনুসন্ধান চালানো হবে। এতে কোনোকিছু না মিললে আরও সংবেদনশীল রোবট পাঠানো হবে, যা এর ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে অনুসন্ধান চালাবে। এছাড়া ইউরোপার বরফের ফাটলে রোবট প্রবেশ করবে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য। প্রয়োজনে পানির তলে অভিযানের উপযোগী রোবটও পাঠানো হবে, যা গ্রহটিতে সম্ভাব্য জীবন অনুসন্ধান করবে।
ড. হ্যান্ড বলেন, ‘মানুষের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমরা এমন একটি মিশন শুরু করতে যাচ্ছি যা আমাদের এ মৌলিক প্রশ্নের উত্তর জানাবে যে, বায়োলজি পৃথিবীর বাইরে কাজ করে কি না। ’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এ মিশন থেকে সঠিকভাবে তথ্য আহরণ করতে পারি তাহলে আগামী ২০ বছরের মধ্যেই আমাদের সৌরজগতে প্রাণের সন্ধান পাব। ’
কতখানি সম্ভব হবে এ মিশন? এ প্রশ্নে ড. হ্যান্ড বলেন, কারিগরিভাবে এটি সম্পন্ন করা অসম্ভব নয়। তবে এজন্য মানুষের সমর্থন, আগ্রহ ও সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আরও এগিয়ে যাবে। আর এটি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয় তাহলে সহসাই গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে।


মন্তব্য