kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৬)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:০২



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৬)

বাংলা উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই। বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

২৮ পর্বে সাজানো এ ধারাবাহিকের আজ থাকছে পর্ব ১৬।


পরে অ এবং আ স্বরধ্বনি থাকলে কিংবা কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে আদ্য এ-কারের বিকৃত উচ্চারণের প্রবণতা থাকে সমধিক-এখন (অ্যাখোন), এক (অ্যাক), ফেন (ফ্যান ভাতের মাড়), একা (অ্যাকা), দেখা (দ্যাখা), কেন (ক্যানো), খেলা (খ্যালো), জেঠা (জ্যাঠা), বেটা (ব্যাটা), পেঁচা (প্যাঁচা) ইত্যাদি। ক্ষেত্রবিশেষে ও-কার থাকলেও আদ্য এ-কারের উচ্চারণ বিকৃত হতে দেখা যায়-মেও (ম্যাও), দেওর (দ্যাওর) ইত্যাদি। কিন্তু এ-কারের পরে ই, ঈ, উ, ঊ থাকলে সাধারণত এ-কার অবিকৃত থাকে-খেলি, জেঠি, একুশ, এখনই।

সৌজন্যে : ভাষা শহিদ কলেজ
 


মন্তব্য