kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৪ ও ১৫)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:১১



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (১৪ ও ১৫)

বাংলা্ উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই। বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

২৮ পর্বে সাজানো এ ধারাবাহিকের আজ থাকছে পর্ব ১৪ এবং ১৫।

১৪
আদ্য এ-র পর যদি ং, ঙ কিংবা জ্ঞ থাকে এবং তার পরে ই, ঈ, উ, কিংবা ঊ অনুপস্থিত থাকে, সে ক্ষেত্রে এ-কারের উচ্চারণ সাধারণত বিকৃত হয়-খেংরা (খ্যাংরা), ভেংচানো (ভ্যাংচানো), নেংটা (ন্যাংটা। কিন্তু এখানে টার পরিবর্তে টি দিলে উচ্চারণ হবে নেংটি, টেংরা (ট্যাংরা কিন্তু ই দিলে টেংরি) ইত্যাদি।

১৫
পরে লা থাকলে সাধারণত আদ্য এ-কারের বিকৃত উচ্চারণ হয়ে থাকে-খেলা (খ্যালা), চেলা (চ্যালা), ঠেলা (ঠ্যালা), মেলা (ম্যালা), কেলা (ক্যালা), গেলা (গ্যালা গমন অর্থে ইত্যাদি। কিন্তু জিলা থেকে জেলা হবে, মিল থেকে মেলা এবং গিল ধাতু (গলাধঃকরণ) থেকে গেলা।
বাংলা্ উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে।

রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই। বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন।

সৌজন্যে- ভাষা শহিদ কলেজ, গাজীপুর

 


মন্তব্য