kalerkantho


শারীরিক ভারসাম্যহীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার ৮ উপায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২১:১৫



শারীরিক ভারসাম্যহীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার ৮ উপায়

বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে অসুবিধা হয়, পা দু’টো একটু নড়ে৷ কিংবা অল্পতেই ঢলে পড়ে যায়৷ এরকম শারীরিক ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন এমন মানুষের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে চলেছে৷ জেনে নিন, এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু সহজ উপায়৷

শিশুকালেই শুরু
এক সমীক্ষায় জানা গেছে, জার্মানিতে প্রথম স্কুলে যাওয়ার জন্য শিশুদের যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় তাতে শতকরা ৫০ ভাগ শিশুরই ভারসাম্য বা সোজা হয়ে হাঁটা-চলায় কম-বেশি সমস্যা ধরা পড়ে৷ এরকম শিশুদের যেমন রাস্তায় একা ছাড়া উচিত নয়, তেমনি এদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়াও জরুরি৷

কেন হয়?
জার্মানির শরীরচর্চা সমিতির প্রধান ডা. ডিটার ব্রাইটহেকার জানান, হাঁটা-চলা কম করায় শরীর জড়োসড়ো এবং কুকড়ে যায়৷ আর এর ফলে পরে সোজা হয়ে দাড়ানো বা হাঁটাও একসময় কঠিন হয়ে পড়ে৷

সোজা হয়ে হাঁটুন
প্রথমেই কয়েক মিটার লম্বা একটি সুতো বা ফিতে ফ্লোরের ওপর টেপ দিয়ে আটকে নিন৷ তারপর একদম সোজা তার ওপর দিয়ে হেঁটে যান৷ অসুবিধা হচ্ছে? এঁকে-বেঁকে যাচ্ছেন ? নিজেকে শক্ত রেখে আবার উল্টো দিকে ফেরত যান৷ নিয়মিত এভাবে করলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে৷

পেশি শক্ত করতে যা করবেন
পেশি শক্ত হলেই ভারসাম্য ফিরে আসবে, তাই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে৷ বিশেষ করে এক্ষেত্রে ছোট-বড় সকলেরই সাইকেল চালানো উচিত, কারণ, আমরা জানি সাইকেল চালানো শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য একটি সহায়ক ব্যায়াম৷

ট্রাম্পলিন
বাড়িতে একটি মিনিট্রামপোলিন বা বাতাসভরা একটি বড় বালিশে প্রতিদিন পাঁচ থেকে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে অনুশীলন করুন৷ উপকার পাবেন অবশ্যই৷

ট্রেন বা বাসে
চলন্ত বাস বা ট্রেনে উঠে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকুন৷ যানটি আঁকাবাঁকা পথে যাওয়ার সময় নিজেকে সোজা রাখার চেষ্টা করুন৷

প্র্যাকটিস
তাছাড়াও আপনি যখন সকাল এবং রাতে দ্রাত ব্রাশ করেন কিংবা এমনিতেই কখনো দাঁড়িয়ে থাকেন, তখন কিছুক্ষণ চোখ দুটো বন্ধ করে রাখুন৷এভাবে প্র্যাকটিস করলে দেখবেন ভারসাম্য ফিরে আসছে, পা দুটোতে জোর পাচ্ছেন৷

সহজ অনুশীলন
চেয়ার বা বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ানোর সময় কোনো সাপোর্ট ছাড়া বা কিছু না ধরে ওঠার চেষ্টা করবেন৷ কিছুটা সতর্ক হয়ে ওপরের নিয়মগুলো একটু মেনে চললে ছোট-বড় সকলেই ভারসাম্যহীনতা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন৷ এসব কথা জানান ডা. ডিটার ব্রাইটহেকার৷

- ডিডাব্লিউ


মন্তব্য