kalerkantho


হিটলারকে দেখা গেছে, অস্ট্রিয়ায় চাঞ্চল্য!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:৩২



হিটলারকে দেখা গেছে, অস্ট্রিয়ায় চাঞ্চল্য!

হিটলারের জন্মস্থান অস্ট্রিয়ার একটি শহরে, যার নাম ব্রাউনাউ আম ইন। এ শহরের একটি বাড়িতে হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।


তবে সম্প্রতি হুবহু হিটলারের মতো দেখতে এক ব্যক্তিকে সে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তার হিটলারের মতোই গোঁফ, চুলের ছাঁট ও পোশাক রয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অস্ট্রিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি স্থানীয় এক ব‌্যক্তি নিজের ফেইসবুক পেইজে ওই ব‌্যক্তির পাশে দাঁড়ানো একটি ছবিও প্রকাশ করেছে। ।
তবে হিটলারের মতো পোশাক পরা এক ব‌্যক্তি তার জন্মস্থানের আশপাশে ‘হিটলার’ সেজে প্রকাশ‌্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে অস্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ।
অস্ট্রিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও এক ব‌্যক্তির ‘হিটলার’ সেজে ঘুরে বেড়ানোর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব‌্যক্তির বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ‌্যে।
খবরে প্রকাশ, শেষবার তাকে স্থানীয় বইয়ের দোকানগুলোতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংক্রান্ত সাময়িকীগুলো নাড়াচাড়া করতে দেখা গেছে। এছাড়া স্থানীয় পানশালায় তিনি নিজেকে ‘হ‌্যারল্ড হিটলার’ বলে পরিচয় দিয়েছেন।
অনলাইনে হিটলার যে বাড়িতে ১৮৮৯ সালে জন্মেছিলেন তার সামনে দাঁড়ানো হ‌্যারল্ড হিটলারের একটি ছবিও পাওয়া গেছে।
অস্ট্রিয়ার আইন অনুযায়ী হিটলার বা নাৎসিদের মহামান্বিত করা একটি অপরাধ।
অস্ট্রিয়ায় যে বাড়িটিতে হিটলার জন্মেছিলেন, সে বাড়িটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। অস্ট্রিয়ার সরকার সম্প্রতি জানিয়েছে হিটলার যে বাড়িতে জন্মেছিলেন সেই বাড়িটি তারা নিজেদের 'দখলে' নেবে। অস্ট্রিয়া সরকার বলছে, বাড়িটি নাৎসী সমর্থকদের পীঠস্থান হয়ে ওঠা ঠেকাতেই তাদের এই পদক্ষেপ।
এই বাড়ি যেভাবে নব্য নাৎসীবাদীদের পূণ্যস্থান হয়ে উঠেছে তাতে উদ্বিগ্ন অস্ট্রিয়া সরকার বলছে গত বেশ কয়েক বছর ধরে তারা কীভাবে এর মোকাবেলা করা যায় তা বিবেচনা করছিলেন।
১৯৭২ সালে দেশটির সরকার বাড়ির মালিকের কাছ থেকে বাড়িটি ইজারা নেন এবং বহু বছর বাড়িটি প্রতিবন্ধীদের দেখাশোনার একটি কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হয়েছে। ডিসেম্বরে অস্ট্রীয় পার্ল‌ামেন্ট তিনতলা এই বাড়িটি কিনে নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। বাড়িটির ব‌্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে ১৯৭২ সাল থেকে বাড়িটি ভাড়া নিয়ে রেখেছে অস্ট্রীয় সরকার। সূত্র : দ্য সান।


মন্তব্য