kalerkantho


শিশুদের কান্না থামাতে বিশেষ গান বাঁধলেন বিজ্ঞানীরা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:৫৮



শিশুদের কান্না থামাতে বিশেষ গান বাঁধলেন বিজ্ঞানীরা!

শিশুরা কান্নাকাটি করেই তার প্রয়োজন বা অসুবিধার কথা জানায়। তা ছাড়া অনেক শিশু আছে প্রচুর কান্না করে।

তাকে সামলাতে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয় বাড়ির সদস্যদের। দারুণ বিরক্তিকর অবস্থা তো বটেই। কিন্তু এ পরিস্থিতি সামলানো এগিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। সমাধান অতি সাধারণ। একটি গান বানিয়েছেন তারা। বাচ্চা ভোলানোর এই গান বাজালে থেমে যাবে শিশুর কান্না। কারণ তাদের মনে সুখানুভূতি দেবে এই গান। সমাধান সাধারণ হলেও বিজ্ঞানীদের মতে, 'দ্য হ্যাপি সং' সৃষ্টি করা বেশ জটিল কাজ ছিল।

একেবারে কোলের শিশুদের সঙ্গীত বিষয়ে একগাদা গবেষণাকর্ম সেরেছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষণায় দেখা যায়, মনটা যে গানের সুরে প্রফুল্ল হয়ে ওঠে, তেমন গানেই মন দেয় শিশুরা। মেজর কি-তে সৃষ্ট এবং পুনরাবৃত্তি ঘটে এমন গানই শিশুদের প্রিয়। এ ছাড়া তাদের চমৎকৃত করতে বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজের সমন্বয় ঘটাতে হয়। 'কনভারসেশন'-এ এসব কথাই বলেন চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এক্সপার্ট ক্যাস্পার অ্যাডিম্যান।

শিশুদের জন্য এমন সঙ্গীত সৃষ্টিতে অনেকজনের বানানো গান পরীক্ষা করা হয়। অবশেষে গ্র্যামি বিজয়ী ইমোজন হিপের তৈরি গানটিকেই গ্রহণ করেন অ্যাডিম্যান এবং মিউজিক্যাল সাইকোলজিস্ট লরেন স্টিওয়ার্ট। তার নিজেরই ১৮ মাস বয়সী কন্যা রয়েছে।

গানগুলো বাবা-মা এবং শিশুদের শোনানো হয়। দুটো গান খুব বেশি ধীর এবং দুটো খুব বেশি দ্রুতগতির ছিল। তবে অধিকাংশই এক বিশেষ আপবিট টিউন পছন্দ করেন। এসব গানের কথা বা গানে ব্যবহৃত শব্দের মধ্যে প্রাণীদের শব্দ বা হাসির আওয়াজকে সেরা বলে গ্রহণ করেন তারা। উচ্চ কণ্ঠে 'পা' কিংবা 'বা' ধরনের শব্দ যা শিশুদের মুখ থেকে উচ্চারিত হয়, তাও গ্রহণ করেন তারা।

'দ্য হ্যাপি সং' এর ফাইনাল সংস্করণ যখন বিশ জন শিশুকে শোনানো হয়, তাদের কাছে দারুণ সাড়া মিলেছে। অ্যাডিম্যান লিখেছেন, এই বলে এগুলো শতভাগ বৈজ্ঞানীক পরীক্ষা নয়। তবে বলা যায়, বৈজ্ঞানীক দৃষ্টিকোণ থেকে এখানে নিরেট বিজ্ঞান ঠিকই কাজ করেছে। এই গান শুনে শিশুরা খুবই সুখী ও খুশি হয়ে ওঠে। কিছু তো ঘটছেই তাদের মাঝে। পরবর্তিতে তারা এ গান শোনার পর শিশুদের মানসিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করবেন। তখন গানটি প্রতি মিনিটে ১৬৩ বিটে শোনানো হবে।

এই বিশেষ গানটি শিশুদের সব কান্না দূর করে দেয় এবং তারা সত্যিই শান্ত ও সুখী হয়ে ওঠে। সূত্র: ফক্স নিউজ

 


মন্তব্য