kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (৭)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:৫৩



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (৭)

বাংলা উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই।

বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন। আজ থাকছে ৭ম পর্ব।


মধ্য অ-এর আগে যদি অ, আ, এ, এবং ও-কার থাকে, তবে সাধারণত মধ্য ‘অ’ উচ্চারণে ও-কার হয়-মতন (মতোন), যতন (জতোন), রতন (রতোন), শতক (শতোক), জলদ (জলোদ), বলদ (বলোদ), গলদ (গলোদ), শরৎ (শরোত), ভরত (ভরোত), কলস (কলোশ), সরস (শরোশ), কাজল (কাজোল), কাগজ (কাগোজ), হাজত (হাজোত), মানত (মানোত), কানন (কানোন), প্রাথমিক (প্রাথোমিক), আতর (আতোর), আগর (আগোর), ডাগর (ডাগোর), সাগর (শাগোর), নাগর (নাগোর), ওজন (ওজোন), রোচন (রোচোন), লোচন (লোচোন), শোধন (শোধোন), বোধন (বোধোন), শোষণ (শোশোন), লোশন (লোশোন), পোষণ (পোশোন), তোষণ (তোশোন), ওতপ্রোত (ওতোপপ্রোতো), বেতন (বেতোন), চেতন (চেতোন), বেদম (বেদোম), লেহন (লেহোন), শেখর (শেখোর), কেশর (কেশোর) ইত্যাদি।

সৌজন্যে : ভাষা শহিদ কলেজ


মন্তব্য