kalerkantho


প্রেমিকের হাতে খুন হলো প্রেমিকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:৫৩



প্রেমিকের হাতে খুন হলো প্রেমিকা

ফেসবুকে আলাপ থেকে প্রেম, তারপরে একসাথে থাকা অতঃপর খুন। হ্যাঁ এমন এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের বাকুরা জেলায়।

রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের কর্মসূত্রে বাঁকুড়ায় থাকেন আকাঙ্ক্ষার বাবা। বাবা-মা তাকে আদর করে ডাকতেন শ্বেতা বলে। জানা গেছে, আদতে পাটনার বাসিন্দা হলেও আকাঙ্ক্ষার পড়াশোনা দিল্লিতে। সেই কারণে দিল্লিতেই থাকতেন আকাঙ্ক্ষা। পড়াশোনার ফাঁকে সময় কাটাতেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। সেখানেই ভোপালের উদয় দাসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। উদয়ও দিল্লিতে থাকতেন। দ্রুত দুজনের মধ্যে যোগাযোগ, ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, সম্পর্কের টানেই গত বছর জুন মাসে ভোপালের পথে উদয়ের সঙ্গে পা বাড়ান আকাঙ্ক্ষা।

সেখানে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। যাওয়ার আগে বাবাকে বলেন আমেরিকায় চাকরি করতে যাচ্ছেন। বাবার সঙ্গে ফোনে নিয়মিত কথা হতে থাকে। একসময় বাবাকে আকাঙ্ক্ষা জানান, আমেরিকা থেকে ফোন করছেন। মোবাইল রোমিংয়ে আছে। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে ফোন আসা বন্ধ হয়ে যায়। উদ্বিগ্ন বাবা যোগাযোগ করেন বাঁকুড়া পুলিশের সঙ্গে। মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানান পুলশিকে।

তদন্তে নেমে মোবাইল নম্বর ধরে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে ভোপালের সাকেত নগরের নবীনপুরা এলাকায় শেষ কয়েকমাসের অবস্থান পাওয়া যাচ্ছে। সঙ্গে আরেকটি নম্বরের সঙ্গে দিনে কয়েকবার যোগাযোগ হয়েছে এমনটা দেখা যায়। জানা যায়, নম্বরটি উদয় দাস নামে এক যুবকের। মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান থেকে উদয়ের বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে যায় বাঁকুড়ার পুলিশ। যোগাযোগ করে ভোপাল পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয় উদয়কে।

টানা জেরার পর উদয় স্বীকার করে ডিসেম্বরে আকাঙ্ক্ষাকে খুন করে বাক্সে ভরে ঘরের মধ্যে পুঁতে দিয়েছে। এক বন্ধু এ কাজে তাকে সাহায্য করেছে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সুখেন্দু হিরা জানিয়েছেন, উদয়ের স্বীকারোক্তির পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদয়ের দেখানো জায়গা খুঁড়ে লাশ উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে।


মন্তব্য