kalerkantho


কাকে বেশি অপছন্দ, মিথ্যাবাদী নাকি ভণ্ড?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:৩৪



কাকে বেশি অপছন্দ, মিথ্যাবাদী নাকি ভণ্ড?

মানুষ যেমন মিথ্যাবাদীকে অপছন্দ করে তেমন ভণ্ডকেও অপছন্দ করে। কিন্তু কাকে বেশি অপছন্দ করে, এ প্রশ্নের উত্তরে সর্বদা ভণ্ডের দিকেই তীরনির্দেশ করে।

কারণ হিসেবে জানা যায়, মানুষ যদি তাদের বাজে আচরণ গোপন করে অন্যদের ভুল বার্তা দেয় এবং তারা যা নয়, তা প্রকাশ করে তাহলে তা অন্যের কাছে প্রাথমিকভাবে বিভ্রান্তিকর ধারণা প্রকাশ করে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
প্রাথমিকভাবে ভণ্ড মানুষের কারণে ভুল বার্তা প্রকাশিত হলেও বিষয়টি পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়ে যায়। আর বিষয়টি প্রকাশিত হয়ে গেলে ভণ্ড মানুষ অন্যের কাছে সম্পূর্ণ অপছন্দের পাত্র হয়ে ওঠে।
ভণ্ড মানুষ কেন বেশি অপছন্দ? সম্প্রতি এ বিষয়টি নিয়ে এক গবেষণা করেছেন গবেষকরা। এতে উঠে এসেছে, যে ব্যক্তিরা নিজেরা মিথ্যাবাদী কিংবা অন্য কোনো দোষ থাকলেও তা বাজ্যে ব্যবহার ও অন্যান্য আচরণের মাধ্যমে অন্যের কাছে প্রকাশ করে দেয় তাদের এসব দোষ সম্পর্কে অন্যরা জানতে পারে। আর এটি অন্য মানুষের অনেকটা পরিচিত হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে গবেষণাটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। তারা জানান, মানুষ যদি ভণ্ডামি করে তাহলে তা সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করে।
এ বিষয়ে গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক জিলিয়ান জর্ডান। তিনি ইয়েল ইউনিভার্সিটির সাইকোলজি বিষয়ের গবেষক। তিনি বলেন, ‘মানুষ ভণ্ডামি পছন্দ করে না কারণ তারা অনৈতিকভাবে দোষারোপ করে থাকে বারবার লাভের জন্য এবং নিজেদের ভালো হিসেবে প্রমাণ করার জন্য। যদিও এ বিষয়গুলো বাস্তবতা ভিন্ন হয়ে থাকে। ’
এছাড়া তাদের আচরণের সঙ্গে বাস্তব কাজের যদি পার্থক্য তৈরি হয় তাহলেও তা বিরক্তির কারণ হয়।
এক্ষেত্রে মিথ্যাবাদীদের বিষয়টি ভিন্নভাবেই দেখছেন গবেষকরা। তারা বলেন, মিথ্যাবাদীরা নৈতিকতার দোহাই দিয়ে অন্যদের মানহানি করা বা অপমান করে না। আর এতে ভণ্ড লোকদের সঙ্গে তাদের পার্থক্য তৈরি হয়।
এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হযেছে সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালে।


মন্তব্য