kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রহস্যভেদ হলো শুক্র গ্রহের সেই হট স্পটের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:১৯



রহস্যভেদ হলো শুক্র গ্রহের সেই হট স্পটের

সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। সকালের আকাশে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে একে সন্ধ্যাতারা বলে ডাকা হয়ে থাকে।

এর কোনও উপগ্রহ নাই। গবেষকরা বলছেন সম্প্রতি শুক্র গ্রহে অগ্নুৎপাত হতে দেখা গেছে। আর সে কারণেই গ্রহটিতে হট স্পটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। শুক্র গ্রহে সাম্প্রতিক অগ্ন্যুৎপাতই সে হট স্পটের কারণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
শুক্র গ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষকরা অনুসন্ধান করছেন। এতে জানা গেছে, শুক্র গ্রহে অল্পদিন আগেই বেশ বড় ধরনের অগ্নুৎপাত ঘটেছে। আর এ কারণে সে প্রভাব এখনও গ্রহটিতে রয়ে গিয়েছে।
গবেষকরা শুক্র গ্রহের একটি আগ্নেয়গিরিকে চিহ্নিত করেছেন যার নাম ইডুন মনস। এটি গ্রহটির দক্ষিণ অংশে অবস্থি। ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ‘ভেনাস এক্সপ্রেসের’ গবেষণায় দেখা যায় গ্রহটির একাংশে হটস্পট ও তার আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। সে সময় বিষয়টির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে আরও অনুসন্ধানের পর গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন সে অঞ্চলে একটি আগ্নেয়গিরি রয়েছে এবং তার চারপাশে লাভা প্রবাহিত হওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আর সে এলাকাটি এখনও অন্য অংশের তুলনায় উত্তপ্ত।
অনেকেই শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ বোন বলেন। এ গ্রহটির সঙ্গে পৃথিবীর প্রচুর মিল থাকায় এটি বলা হয়।
এ বিষয়ে জার্মান এরোস্পেস সেন্টারের গবেষক পিয়েরো ডি’ইনসেকো বলেন, ‘গ্রহটির মেঘমালা বহু বিষয়কে গোপন করে রাখে। ’
তবে সে সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সত্যিই দারুণ। গ্রহটির বেশিভাগ অঞ্চলই ঠাণ্ডা। আর এর অর্থ তা বহু বছর ধরে কোনো পরিবর্তন নেই। কিন্তু একটি আগ্নেয়গিরি পাওয়া গেছে। সে অঞ্চলটি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।
এখন গবেষকরা একটি মডেলিং তৈরি করছেন। এতে গ্রহটির ভূ-প্রাকৃতিক পরিস্থিতি জানা সহজ হবে মানুষের পক্ষে।


মন্তব্য