kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


৫৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিল এক ধূমকেতু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:০৩



৫৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিল এক ধূমকেতু

মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগের কথা। একটি ধূমকেতু বা গ্রহাণু এই পৃথিবী গ্রহে আঘাত হানে।

আর সে সময়টি ছিল আবহাওয়া পরিবর্তনের বিশেষ মুহূর্ত। নতুন এক গবেষণায় এ কথা বলেন বিজ্ঞানীরা।

এ ঘটনা ঘটেছিল আজ থেকে ৫৬ মিলিয়ন বছর আগে। তারও ১০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীকে আঘাত হানে মহাজাগতিক বস্তু যার ফলে প্রাগৈতিহাসিক ডাইনোসরের বিলুপ্তি ঘটে। গোলাকার বা অশ্রুর ফোঁটার মতো একটি বস্তু থেকে আকস্মিকভাবে এই ফলাফল মেলে বিজ্ঞানীদের কাছে। এই বস্তুকে বলা হচ্ছে মাইক্রোটেক্টিটেস।

নিউ ইয়র্কের রেনসিলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর মর্গান স্ক্যালার বলেন, মহাশূন্য থেকে একটি পাথরখণ্ড এসে আঘাত হেনেছিল সেই সময়টাতে। এই মাইক্রোটেক্টিটেস তারই প্রমাণ বহন করে।

লাখ লাখ বছর আগে পৃথিবীর জলবায়ু বদলে গিয়েছিল। সেই অবস্থা বিরাজ করে ২ লাখ বছর পর্যন্ত। এই জলবায়ুকে বলা হয় প্যালিওসিনে-ইয়োসিনে থার্মাল ম্যাক্সিমাম। প্রধান গবেষক মনে করেন, সেই প্রাচীন সময়ের উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে ওই ধূমকেতুর আঘাতের সম্পর্ক রয়েছে।

বিবৃতিতে স্ক্যালার বলেন, ধূমকেতু তার নিজস্ব ধর্ম অনুযায়ী পৃথিবীর আবহাওয়ায় কার্বনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। তবে কার্বন নিঃসরণের অন্যান্য উৎস কাছে তার কথা বিবেচনায় আনা হয়নি। তবে তা অন্যান্য উৎস থেকে কার্বন নিঃসরণের হার বৃদ্ধি করতে পারে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্সের প্রফেসর পল ওলসেন জানান, পৃথিবী গ্রহটি যে ইতিহাসের মাধ্যমে এগিয়েছে সেখানে এই ঘটনা পরিবর্তনটা বুঝতে আরো সহায়তা করবে। ইতিহাসের সেই ঘটনা বুঝতে স্ক্যালার ও তার সহকর্মীদের গবেষণা নতুনভাবে সব বুঝতে কাজে লাগবে।

তবে নতুন এ গবেষণা নিয়ে অনেকের সন্দেহও রয়েছে। রাইস ইউনিভার্সিটির গেরাল্ড ডিকেন্স বলেন, এই বিবৃতিতে আসলে কিছুই প্রকাশ করেনি। এখানে কোনো ফলপ্রসূ ব্যাখ্যা নেই।

সায়েন্স জার্নালে নতুন গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।
সূত্র : ফক্স নিউজ

 


মন্তব্য