kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধে মানসিক রোগের ঝুঁকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ১২:৪৯



রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধে মানসিক রোগের ঝুঁকি

রক্তচাপের জন্য ওষুধ খাওয়ার পর কি কখনও বিষণ্ন বোধ করেছেন? এক গবেষণায় বলা হয়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাধারণত যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয়, তা মেজাজ-মর্জি বদলে দেয়। এতে বিষণ্নতা বা বাইপোলার ডিসঅর্ডার পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো এর প্রফেসর সান্তোশ পদ্মনাভান বলেন, হাইপারটেনশন নিয়ে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকে। বিশেষজ্ঞদের এ বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে যে, বিশেষ করে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ওষুধগুলো মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে কিনা।

এ গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা চারটি বহুল প্রচলিত অ্যান্টিহাইপারটেন্সিভ ড্রাগ এবং মুড ডিসঅর্ডারের সম্পর্ক খুঁজে দেখেছেন। স্কটিশ হসপিটালগুলো থেকে ৪০-৮০ বছর বয়সী ৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৬ জন রোগীর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। এদের মধ্যে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৬ জন রোগীর চিকিৎসায় অ্যান্টাগোনিস্ট, বেটা ব্লকার, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার বা থিয়াজাইড ডাইইউরেটিক্স ব্যবহার করেছেন। এদের তুলনা করা হয় আরো ১ লাখ ১১ হাজার ৯৩৬ জন রোগীর সঙ্গে যারা এসব ওষুধ গ্রহণ করেননি। এদের পর্যবেক্ষণ করা হয় ৫ বছর ধরে। তাদের মুড ডিসঅর্ডার, যেমন বিষণ্নতা বা বাইপোলার ডিসঅর্ডার দেখা হয়।

উচ্চরক্তচাপের জন্য ৯০ দিন ওষুধ ব্যবহারের পর গবেষণাপত্রটি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনসে প্রকাশ করা হয়। দেখা গেছে, ওষুধ গ্রহণের পর গড়ে ২.৩ বছরের মধ্যে ২৯৯ জন মারাত্মক বিষণ্নতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষ করে বেটা ব্লকার এবং ক্যালসিয়াম অ্যান্টগোনিস্ট গ্রহণকারীদের ঝুঁকির মাত্রা দ্বিগুণ থাকে। অ্যানজিওটেনসিন অ্যান্টাগোনিস্ট ব্যবহারকারীদের ঝুঁকি সবচেয়ে কম।

আবার থিয়াজাইড ডাইইউরেটিক্স ব্যবহারকারীরাও বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সমান ঝুঁকিতে থাকেন।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

 


মন্তব্য