kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দামি হাতঘড়ি কেনার আগে অন্তত একটি বিষয় জানুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:০০



দামি হাতঘড়ি কেনার আগে অন্তত একটি বিষয় জানুন

ভালো ব্র্যান্ডের দামি ঘড়ির লোভ কার নেই? শৌখিন মানুষের শখের তালিকার শীর্ষ এটি থাকবেই। কিন্তু দামি ঘড়ি কেনার আগে বেশ কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়।

তবে অন্তত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে মন দিতে বলেছেন ডেনিস গ্রিন।

বলেন, আমি নিজেও একজন ঘড়িপ্রেমী মানুষ। এগুলো দেখতে, ধরতে এবং দোষ-গুণ বুঝতে ভালো লাগে। তবে যারা দামি ঘড়ি ব্যবহার করেন তারা বিষয়গুলো অন্যভাবেও দেখতে পারেন। মানুষ নানা কারণে দামি ঘড়ি কেনেন ও হাতে পরেন। তাদের মনে অনেক জটিলতাও থাকে। তবে অধিকাংশই তার আভিজাত্য তুলে ধরতেই ঘড়ি পরে থাকেন।

তবে কারণগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ একেক মানুষের কাছে একটি কারণ অন্যটির চেয়ে বেশি গুরুত্ব রাখে। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, কোন ধরনের ঘড়িটা আপনার জন্য সঠিক বাছাই হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে কোন ঘড়ি কিনবেন। কোয়ার্টজ বা মেকানিক্যাল।

ডেনিস জানান, আমি মেকানিক্যাল ঘড়িই পছন্দ করবো। কারণ আমার কাছে এটি অনেক দারুণ একটা জিনিস। ভাবতে ভালো লাগে, এই ধরনের ঘড়িতে বিভিন্ন গিয়ার তার গতিতে চলছে এবং একে শক্তি প্রদান করছে আমার কবজি। ঘড়ির অভ্যন্তরের কারুকার্য পেছনে পরিষ্কার দেখা যায়। কাঁটার একটি টিকে ভেতরের যন্ত্রগুলো ঘুরতে থাকে। এমন পুরনো প্রযুক্তি আধুনিক সংস্করণ হাতে পরে রাখার মজাই আলাদা।

আবার অনেকের কাছে এসব গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা কেবল সুন্দর দেখতে একটি দামি ঘড়ি চান। দামি ব্র্যান্ডের ঘড়িগুলোই তাদের প্রিয়। এগুলোর শক্তি শেষ হয়ে আসছে বা কি হচ্ছে তা নিয়ে কোনো চিন্তা নেই।

এ ধরনের মানুষের জন্য কোয়ার্টজ প্রযুক্তির ঘড়িই ভালো। এদের সময় মেকানিক্যাল ঘড়িগুলোর চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত। এগুলো ব্যাটারিতে চলে এবং তা শেষ হলে কম দামেই বদলে ফেলা যায়। এগুলো দেখতে মেকানিক্যাল ঘড়িগুলোর মতোই। পার্থক্য হলো, এগুলোর মধ্যে তেমন কারুকাজ নেই। একে নিয়ে আপনার চিন্তা করতে হবে না।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

 


মন্তব্য