kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


স্থূলকায় যাত্রীদের ওজন নিয়ে বিপাকে হাওয়াইন এয়ারলাইন্স

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:২৪



স্থূলকায় যাত্রীদের ওজন নিয়ে বিপাকে হাওয়াইন এয়ারলাইন্স

দুই আমেরিকান সামোয়ান ব্যবসায়ী অভিযোগ দাখিল করলেন ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনের কাছে। হনুলুলু থেকে একটি ফ্লাইটে ওঠেন তারা।

কিন্তু বিমানে তাদের ওজন নিয়ে নানা ঝামেলা করা হয়। অভিযোগে আরো বলা হয়, দেহের ওজন নিয়ে তাদের হেনস্তা করা হয়েছে। যে আসনের টিকেট তারা কেটেছিলেন পরে তা বদলে দেওয়া হয়।

এয়ারলাইন এবং এয়ারক্রাফট নির্মাতারা যাত্রীদের বাড়তি কোমরের ওজন নিয়ে বহুকাল ধরেই নানা আলোচনা করে আসছে। অভিযোগ উঠেছে হাওয়াইন এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে। তারা জানায়, তারা যাত্রীদের ওজন বিষয়ক নিয়ম চাপানো হয়নি তাদের ওপর। বরং ওই সময় হাওয়াই এবং আমেরিকার সামোয়ান রাজধানী পাগো পাগোর মধ্যে বিমানে যাত্রীদের ওজন বিষয়ে জরিপ চলছিল।

হাওয়াইন কমিউনিকেশন ডিরেক্টর অ্যালিসন ক্রয়লি বলেন, পাগো পাগোতে যত ফ্লাইট যায় তার সব কটিতে জ্বালানি খরচ হয় ধারণার চেয়েও বেশি। তা ছাড়া আমাদের যেকোনো ফ্লাইটে যাত্রীদের ওজন বিবেচনা করতে হয়। এ বছরের প্রথম দিকে জাপান থেকে কোরিয়ার ফ্লাইটেও একই ধরনের জরিপ চালানো হয়।

টানা ছয় মাস ধরে জরিপ চলে। এফএএ প্রোটোকলের নিয়ম ধরে জরিপ চলতে থাকে। ধারণার চেয়েও ওজন বেশি হলে বিমানের দুই পাশের ভারসাম্য রক্ষার্থে যাত্রীদের এদিক-ওদিক করতে হয়।

অভিযোগকারীর একজন আভামুয়া ডেভ হ্যালেক বলেন, হাওয়াইন এয়ারলাইন্স বলছে এটা নিরাপত্তার বিষয়। ওজনের ভারসাম্য রক্ষায় এটা করা হয়। তাহলে কি এতদিন আমরা নিরাপত্তাহীনতার মাঝে বিমানে চড়েছি?

২০০৩ সাল থেকে হাওয়াইন এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৬৭-৩০০ উড়ছে আমেরিকান সামোয়া থেকে। তারা হনুলুলু-পাগো পাগো রুট ব্যবহার করে। তারা ২৬৯ জন যাত্রী নিয়ে ৬৮৩৫ মাইল ওড়ে নিরাপদে। দুটো শহরের মাঝের দূরত্ব ২৬০০ মাইল।

সিআইএ'র ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকে বলা হয়, পৃথিবীতে স্থূলতার হার সবচেয়ে বেশি সামোয়ানদের মাঝে দেখা যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ৭৪ শতাংশই স্থুলতার সমস্যায় ভুগছেন। এই হিসাব ২০০৭-২০০৮ এর সময়কার। বর্তমানে সামোয়ানদের ৯৫ শতাংশই স্থূলতায় ভুগছেন।

এদিকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।
সূত্র : ফক্স নিউজ

 


মন্তব্য