kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


যৌনজীবনে উন্নতি করে ইরোটিক ফিকশন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:০৪



যৌনজীবনে উন্নতি করে ইরোটিক ফিকশন

ব্রিটিশ সাংবাদিক ও টিভি প্রেজেন্টার মেরিয়েলা ফ্রোস্ট্রাপ। তিনি রেডিওতে অনেকের কাছেই সেক্সি ভয়েসের জন্য পরিচিত।

সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন কয়েক দশকে তার যৌনতার ইচ্ছা কিভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টেলিগ্রাফ।
সম্প্রতি মেরিয়েলা ফ্রোস্ট্রাপ একটি যৌনতানির্ভর গল্পগুলোর সংকলন তৈরি করেছেন। ‘ডিজায়ার : ১০০ লিটারেচারস সেক্সিয়েস্ট স্টোরিজ, চুজেন বাই মেরিয়েলা ফ্রোস্ট্রাপ’ বইটি প্রকাশ করেছে হেড অব জিউস প্রকাশনী সংস্থা। এ বইতে বিভিন্ন সাহিত্যের রসালো অংশগুলোকেই একত্রিত করেছেন তিনি।
৫৩ বছর বয়সী মেরিয়েলা ফ্রোস্ট্রাপ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রৌয়ান পিলিংকে জানান তার সেই বই বিষয়ে নানা তথ্য। এছাড়া ব্যক্তিগত বহু বিষয়ও উঠে আসে তার সঙ্গে আলাপচারিতায়।
যৌনতাবিষয়ক বইয়ের সম্পাদনা করলেও তিনি মূলত এর খুব একটা ভক্ত নন বলেই জানান। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকার অর্থে প্রণয়কাহিনীর ভক্ত নই। ’
তিনি বলেন, তবে এ প্রকল্পের আগে তার খুব একটা যৌনতামূলক বই পড়া ছিল না। ছোটবেলা থেকে এ বিষয়ে তার মাত্র দুটি বই পড়া ছিল। যেগুলো তিনি তার বাবা-মায়ের বুকশেলফে পেয়েছিলেন। এগুলো হলো ডিএইচ লরেন্সের ‘দ্য ভার্জিন অ্যান্ড দ্য জিপসি’ ও অ্যানাইস নিনের ‘ডেলটা অব ভেনাস’।   তবে পরবর্তীতে এ বইয়ের কাজ শুরুর পর বহু বই পড়া হয়েছে।
তাহলে আগের ও পরের যৌনতার মাঝে পার্থক্য রয়েছে কী? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ছোট ছিলাম তখন যৌনতার বিষয়টি সে মুহূর্তের তাৎক্ষণিক ও নিয়ন্ত্রণহীন এক শক্তির মতো কাজ করত। আর সে শক্তি যেন নির্দিষ্ট দিকে চালানোর কোনো উপায় ছিল না। ’
তবে এখন পরিস্থিতি পাল্টেছে। এখন সে শক্তি আর নিয়ন্ত্রণের বাইরে নেই। তিনি বলেন, ‘আমি এখন যেন এমন এক পার্টিতে, যে পার্টিতে যা ইচ্ছে করতে পারি। ’
তিনি বলেন, আমি বেড়ে উঠেছি আয়ারল্যান্ডের রক্ষণশীল রোমান ক্যাথলিক পরিবেশে। আর সেখানে যৌনতার বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় থাকত।
যৌনজীবনে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে আপনার বইটি? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যৌনজীবনে উন্নতি করতে পারে এ ধরনের ইরোটিক বই। একজন মানুষের কল্পনাকে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কল্পনা যদি হয় যৌনতাবিষয়ক তাহলে তা স্বভাবতই যৌনজীবনে উন্নতি করবে।
এ প্রসঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন ছিল তার স্বামী বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন? মেরিয়েলার স্বামী জ্যাসন ম্যাককিউ একজন হিউম্যান রাইট আইনজীবী। তিনি জানান, তার স্বামী তার ইরোটিক বইয়ের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন।  
তিনি হেসে বলেন, ‘সে এ বিষয়ে মোটেই আগ্রহী ছিল না- একেবারে নয়। এটি কিছুটা হতাশাজনক ছিল। এটি যদি সম্পর্কের দৈনন্দিন বিষয়ে স্বাভাবিক না হত তাহলে সমস্যা হতে পারত। ’


মন্তব্য