kalerkantho


গান্ধীর স্ত্রীর গোপন ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১৬:১৪



গান্ধীর স্ত্রীর গোপন ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে আমরা সবাই চিনি। কিন্তু তার স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীকে আমরা অনেকেই চিনি না। এ বিষয়টি অনেকের কাছেই আশ্চর্যজনক মনে হয়। কিন্তু কী কারণে তার এ নিভৃতে বসবাস? এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
মহাত্মা গান্ধীর বিয়ে ও পরিবারের বিষয়ে খুব একটা তথ্য জানা যায়না। তবে জানা যায়, ১৮৮৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহাত্মা গান্ধী তার বাবা মায়ের পছন্দে কস্তুরবা মাখাঞ্জীকে (কাস্তুবাই নামেও পরিচিত ছিলেন) বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তাদের চার পুত্র সন্তান জন্মায়, যাদের নাম হরিলাল গান্ধী, (জন্ম ১৮৮৮) মনিলাল গান্ধী, (জন্ম ১৮৯২) রামদাস গান্ধী (জন্ম ১৮৯৭) এবং দেবদাস গান্ধী (জন্ম ১৯০০) সালে।
বাবা সম্পর্কে অনেকেই অনেককথা বলেন। আমরা সবাই তার বিশাল হৃদয়ের কথা বলি। জাতির জন্য তার অবদানের কথা বলি। কিন্তু আপনি কি তাকে তার স্ত্রী বা সন্তানের চেয়ে ভালো জানেন? তার স্ত্রী তার সম্পর্কে যা জানেন তা কি অন্যরা জানেন? এমন কথাই প্রযোজ্য ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ গান্ধী সম্পর্কে লেখা রয়েছে ‘দ্য সিক্রেটস অব কস্তুরবা গান্ধী’ বইতে।
বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন গান্ধী। সেটি ১৮৮৩ সালের ঘটনা। বাবা-মায়ের পছন্দেই তাদের বিয়ে হয়। অবশ্য বিয়ের পর প্রথম দিকে ভালোই সময় কেটে যায় উভয়ের।
বিয়ের কিছুদিন পার হওয়ার পর গান্ধীর অনেকটা যেন ‘সামন্ততান্ত্রিক’ দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশিত হতে থাকে। একদিন সকালে কস্তুরবা প্রতিদিনের মতো মন্দিরে পূজা দিতে যান। তিনি লিখেছেন, ‘এ সময় আমার মধ্যে একটা অবাধ্যতার শক্তি ভর করে। আমি এদিন মন্দিরে যাওয়ার জন্য তার অনুমতির অপেক্ষা করিনি। তার উচ্চ ক্ষমতা আমার ওপর যেন প্রভাব বিস্তার করছিল না। যদিও এ ঘটনায় সে যেন বিস্ফোরিত হয়ে গেল। সে এরপর আমার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে হাল ছেড়ে দেয় যখন সে বুঝতে পারে তার নিপীড়নে আমি মারা যাব না। সে আমাদের প্রথম বিবাদকে মেনে নেয়। ’
এরপর দৈনন্দিন আরও বহু বিষয় উল্লেখ করেছেন গান্ধীপত্নী। যার মধ্যে রয়েছে রেলগাড়িতে চড়ে বিভিন্ন স্থানে যাত্রা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিস্তারিত। এছাড়া গান্ধীর আইন ভঙ্গের উদ্যোগ নেওয়ার মতো বিষয়ও।


মন্তব্য