kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটলেই সর্বনাশ: সাবধান করলেন হকিং

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:২৭



এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটলেই সর্বনাশ: সাবধান করলেন হকিং

যদি আমরা এলিয়েনদের খুঁজে বের করার কাজটি করতে থাকি বা তাদের পাঠানো সংকেতে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাবধান না হই, তবে তারা আমাদের ধ্বংস করে দেবে। এমনটাই মনে করে পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

হকিং বলেন, যদি আমরা কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হই, তবে সে ঘটনা অনেকটা কলম্বাসের সঙ্গে প্রথম কোনো রেড ইন্ডিয়ানের মুখোমুখি হওয়ার মতোই ঘটনা হবে। আর আমরা যদি রেড ইন্ডিয়ানদের ভূমিকায় থাকি তবে ব্যাপারটা আমাদের জন্য মোটেও ভালো হবে না।

স্টিফেন হকিং সম্প্রতি ২৫ মিনিটের একটি অনলাইন ফিল্মে কাজ করেন। সেখোনে দেখা যায়, একটি মহাকাশযান তাকে কসমোস পেরিয়ে মহাশূন্যের একটি ভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি ১৬ আলোকবর্ষ দূরের গ্রহ গ্লিজ-৮৩২সি-তে ভ্রমণকারীর ভূমিকায় ছিলেন। অনেকের ধারণা সেই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে।

হকিং বলেন, আমার বয়স যত বাড়ছে ততই মনে হচ্ছে মহাশূন্যে আমরা  একা নই। তাদের খুঁজে বের করতে আমি গোটা জীবন কাটিয়েছি। আর এ কাজে নতুনভাবে নেতৃত্ব দিতে চাই।

গ্লিজ-৮৩২সি গ্রহ সম্পর্কে জানা যায়, এটি আমাদের ১ লাখ আলোকবর্ষ জুড়ে বিস্তৃত মিল্কিওয়েতে পৃথিবী থেকে প্রায় ১৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। গ্রহটি তার কক্ষপথে প্রতি ৩৬ দিনে একবার একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যেরচেয়েও ছোট, তুলনামূলক আলো কম এবং সূর্যেরচেয়ে শীতল। তবে, গ্লিজ-৮৩২সি গ্রহটি আমাদের পৃথিবীর প্রায় পাঁচগুন বড়। ২০১৪ সালে রবার্ট হুইটেনমায়ার নামে এক বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একদল গবেষক এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন। যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব আছে এমন অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা।

হকিং এই প্রথম এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের ঝুঁকি সম্পর্কে জানান দিলেন। তবে এলিয়েনরা প্রাথমিক অবস্থায় আমাদের মেরে ফেলার পরিকল্পনা করবে না।

আমাদের পাঠানো যেকোনো মেসেজ যে এলিয়েনরা পড়তে পারবে তাদের আমাদের থেকেও কয়েক বিলিয়ন বছর অগ্রসর থাকতে হবে। কাজেই তারা হবে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আর আমাদের অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বলেই মনে করবে, যেভাবে আমরা কোনো ব্যাকটেরিয়াকে মনে করি।

এর আগে তিনি এও বলেন যে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সও এমন বিপজ্জনক হতে পারে। গত বছর তিনি বলেন, একটি সুপার বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স তাল লক্ষ্য অর্জনে অতুলনীয় হতে পারে। কিন্তু এটা আমাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকরও হয়ে উঠতে পারে। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

 


মন্তব্য