kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ওয়াল স্ট্রিটের মহারথীদের কথা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:২০



ওয়াল স্ট্রিটের মহারথীদের কথা

অর্থবাজারের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০ ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। তাদের প্রভাব ছড়িয়ে রয়েছে রাজনীতি, উদ্যোগ ও কেন্দ্রিয় ব্যাংকে।

এই র‌্যাঙ্কিংয়ের কাজে ব্লুমবার্গ কয়েক ডজন প্রতিবেদক এবং সম্পাদককে প্রার্থী বাছাই করতে বলেন। তাদের বাছাইকৃত প্রার্থীদের ভোটের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের তালিকা তৈরি করেছেন সিনিয়ন এডিটররা। এখানে জেনে নিন বিশ্ব অর্থব্যবস্থায় সবচেয়ে প্রভাবশালী ৯ ব্যক্তিত্বের কথা।

৯. জন স্টাম্ফ : তিন ওয়েলস ফার্গোর সিইও। ওয়াল স্ট্রিটের সবচেয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাংকব্যবস্থা গড়ে তুলে নাম কামান তিনি। ক্রস-সেলিংয়ের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে তার। তবে সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারীর কারণে ব্যাংকটি থমকে গেছে। এতে তার ক্যারিয়ার বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তালিকার ২৩ নম্বরে রয়েছেন তিনি।

৮. জেফরি গান্ডল্যাচ : তিনি ডাবললাইন ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও। তার দূরদর্শীতার পরিচয় সবাই দেখেছেন। জানুয়ারিতে তিনি ঘোষণা দেন, সোনার দাম এ বছরে ১৪০০ ডলারে নেমে আসবে। ঠিক তাই হয়েছে। সর্বসম্প্রতি তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর নাগাদ ফেডারেল রিজার্ভের রেট বাড়বে না। ঠিক তাই হয়েছে। প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের দেখভাল করছেন তিনি। তালিকায় তার র‌্যাঙ্কিং ২২।

৭. সার্জিও এরমোতি : তিনি ইউবিএস এর সিইও। ২০১১ সালে দায়িত্ব নেওয়র পর থেকে তিনি সুইস ব্যাংকের কৌশল পরিবর্তনে মন দেন। খরচ কমানো, সম্পদব্যবস্থাপনা অধিক গুরুত্ব প্রদান এবং বিনিয়োগ ব্যাংককে সঙ্কুচিত করে আনাসহ অনেক কাজ করেন। পরে অবশ্য ব্যাংকে অর্থের পরিমাণ অনেক কমে যায়। তালিকায় তার র‌্যাঙ্কিং ২১।

৬. কার্ল আইকান : কার্ল আইকান এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান। এ বছর বেশ সরগোল তুলেছেন এই বিনিয়োগকারী। অ্যাপল থেকে নিজের বিনিয়োগ সরিয়ে নেন তিনি। এদিকে হারবালাইফ নিয়ে বিল অ্যাকম্যানের সঙ্গে যুদ্ধে নামেন তিনি। কার্ল হাল ধরার পর হারবালাইফের শেয়ার মূল্য প্রায় দ্বিগুন হয়ে গেছে। তিনি আছেন তালিকার ২০ নম্বরে।

৫. ল্যারি ফিঙ্ক : ব্ল্যাকরকের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ল্যারি তার ব্ল্যাকরককে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। তাদের ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ৪.৬ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য। ওয়াল স্ট্রিটের স্পষ্টবাদী হিসাবে নাম রয়েছে তার। সম্প্রতি তিনি আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান সিইও'দের ভবিষ্যত সমৃদ্ধশালী করতে একটি খোলা চিঠি দেন। তালিকায় তার অবস্থান ১৬ নম্বরে।

৪. লয়েড ব্লাঙ্কফেন : গোল্ডম্যান সাচেসের সিইও তিনি। তরুণ বয়সে শূন্য অবস্থায় শুরু করেছিলেন তিনি। আজ অর্থনীতিতে সফলকামী ব্যক্তিত্বদের একজন। প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হারে প্রযুক্তির প্রতিভা যোগ করেন এবং ব্যাংকের কর্মসংস্কৃতিকে বদলে দেন। ২০১৫ সালে বিলিয়নিয়ারদের দলে চলে যান তিনি। তালিকায় তিনি আছেন ১৫ নম্বরে।

৩. জেমি ডাইমোন : জেপিমর্গান চেজ এর সিইও তিনি। অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সদা সচেতন তিনি। উচিত কথা বলতে ছাড়েন না। ব্যাংকে যারা ঘণ্টার হিসাবে কাজ করেন তাদের পারিশ্রমীক বৃদ্ধির পথ দেখান তিনি। তালিকায় তিনি ১৩ নম্বরে অবস্থান করছেন।

২. বিল ম্যাকনাব : ভ্যানগার্ড গ্রুপের সিইও। তার নামের সঙ্গে সবাই পরিচিত নন। তারই অধীনে ম্যাকনাব পৃথিবীর এক শক্তিশালী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে। সেখানে সম্পদের পরিমাণ ৩ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড-ফান্ডস ইন্ডাস্ট্রিতে ভ্যানগার্ড এক দানবেন নাম। এই প্রতিষ্ঠানের কাঠামোটিও বেশ অদ্ভুত। সদস্যদের ফান্ড এর মালিকানায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি তালিকার ১২ নম্বর স্থান দখল করেছেন।

১. ওয়ারেট বাফেট : বার্কশায়ার হ্যাথওয়ের সিইও তিনি। সকল বিনিয়োগকারীদের গুরু বলে ডাকা হয়। বিনিয়োগে তিনি কিংবদন্তি হয়ে রয়েছেন। তিনি কথা বললে গোটা অর্থব্যবস্থা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকে। তালিকায় তার স্থান ৯ নম্বরে। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

 


মন্তব্য