kalerkantho


চাঁদ থেকে এবার পৃথিবী আবিষ্কারে বাজ অ্যালড্রিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:১৬



চাঁদ থেকে এবার পৃথিবী আবিষ্কারে বাজ অ্যালড্রিন

চাঁদের মাটিতে পা পড়েছিল তার। তবে এবার বাজ অ্যালড্রিনের চিন্তা চাঁদকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তার নতুন 'নো ড্রিম ইজ টু হাই' বইয়ে মঙ্গলে মানুষকে নিয়ে যাওয়ার চিন্তা ঘুরঘুর করছে। মহাকাশে আর বেশি মাথা ঘামাচ্ছেন না তিনি। কিন্তু তার স্কুবা ডাইভিং পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে নতুনভাবে আবিষ্কার করছে গ্রহটিকে। এখানে এই শ্রদ্ধাভাজন মহাকাশচারীকে প্রশ্ন করা হয়। তিনি দিয়েছেন তার জবাব।

আপনি তো চাঁদকে এক 'বিস্ময়কর নির্জনতা' বলে ব্যাখ্যা করেছেন। এই
পৃথিবীতে তেমন কোনো স্থান কি রয়েছে যা তুলনীয়?
না, পৃথিবীতে এমন প্রাণবিহীন স্থান খুঁজে পাওয়ার তেমন চেষ্টা করা হয়নি। যখন চাঁদে যাই তখন বুঝতে পারনি এই নির্জনতা হাজার হাজার বছর ধরে বিরাজ করছে।

মহাকাশ ভ্রমণের পর এই পৃথিবীতে কোন ভ্রমণ আপনাকে দারুণ বিস্মিত করবে?

সমুদ্রের তলদেশে ডুবে থাকা টাইটানিক জাহাজটি দেখতে যাওয়া বা কোনো তিমির পিঠে চড়া এতটাই রোমাঞ্চকর যে তা চাঁদে গেলেও মিলবে না।

আপনি একজন দক্ষ স্কুবা ডাইভার। আপনার প্রিয় ডাইভিং স্থানগুলো কি কি?

আমি অস্ট্রেলিয়ার লিজার্ড আইল্যান্ডের কথা শুনেছি। বলা হয়, এটি পোর্ট ডারউইন থেকে উত্তরে। আরেকটি দ্বীপ রয়েছে নিউ গিনির উত্তর-পূর্বে। এর নাম নিউ ব্রিটেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমার তারুণ্যে এগুলো দারুণ ডাইভিংয়ের স্থান ছিল। এখন সেখানে নতুন কোনো দুনিয়ার সন্ধান মিলবে।

বয়স যাই হোক, আপনার কাছে কি অভিযান চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়?

অবশ্যই। আমি এখন অনেক দূরে অভিযান চালাতে চাই। মহাকাশে কিছু কক্ষপথ সৃষ্টি করতে চাই। মঙ্গলে যেতে চাই। তবে আমি হয়তো মঙ্গলে যেতে পারবো না। কিন্তু কয়েক প্রজন্ম পর মানুষ ঠিকই মঙ্গলে যাবে। তবে সেখানে এখন আমি মানসিকভাবে অভিযান ঠিকই চালায়।

আমরা এখন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সৃষ্টি করতে পারি। এর মাধ্যমে আমরা মঙ্গলে যেতে পারি। আমি অবশ্য একবার তা করার চেষ্টা করেছি।

মঙ্গলে কিভাবে একটা কলোনি তৈরি করতে পারবো আমরা?

আমরা চাঁদে ভ্রমণ করে অনেক কিছু পেয়েছি। মঙ্গলে পৌঁছতে প্রাকৃতিক কক্ষপথের সহায়তায় সেখানে যাওয়া যাবে। মঙ্গলে মানববসতি স্থাপন করতে হলে চাঁদে তা করে দেখা যেতে পারে। তাহলে বোঝা যাবে আসলে কি করতে হবে। কেবল মঙ্গলে যাওয়ার কথা চিন্তা করলে হবে না। সেখানে বসত গাড়তে হবে।

মহাকাশে আপনার প্রিয় খাবার কি?

কোনো স্বাদ অবশ্য নাই। তবে সস দিয়ে ছোট ছোট চিংড়ি আমার বেশ ভালো লাগে। এগুলো ফ্রিজে রেখ শুকিয়ে ফেলতে হয়। তারপর এর মধ্যে পানি দিয়ে টিউব দিয়ে সরাসরি মুখে। এর স্বাদ বেশ ভালো। সূত্র : ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

 


মন্তব্য