kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারে হুমকিতে মানসিক স্বাস্থ্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৩২



অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারে হুমকিতে মানসিক স্বাস্থ্য

কানাডার ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির এক সাম্প্রতিক জরিপে বলা হয়েছে, দিনে যারা অতিরিক্ত সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের মানসিক সমস্যা বাড়তে থাকে।

গবেষকরা কলেজ শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে মানসিক সমস্যার সম্পর্ক বুঝতে দুটো স্কেল ব্যবহার করেন।

প্রথমটি ইন্টারনেট অ্যাডিকশন টেস্ট (আইএটি)। ১৯৯৮ সাল থেকে এই স্কেলের ব্যবহার চলে আসছে। দ্বিতীয়টি নতুন স্কেল যা ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরন বুঝতে তৈরি করা হয়েছে।

প্রধান গবেষক মাইকেল ভ্যান আমেরিনজেন জানান, গত ১৮ বছর ধরে ইন্টারনেটে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ অনলআইনে কাজ করছেন, মিডিয়া স্ট্রিমিং দেখছেন এবং সোশাল মিডিয়ায় সময় কাটাচ্ছেন। আধুনিককালের ইন্টারনেট ব্যবহারের জটিলতার বিষয়টি ঠিক পরিষ্কার করতে পারে না আইএটি প্রশ্নমালা। অথবা যারা সাধারণভাবেই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের সমস্যাও তুলে আনতে পারবে না।

গবেষকরা মূলত ২৫৪ জন শিক্ষার্থীর ইন্টারনেট ব্যবহার এবং তার কারণে মানসিক অবস্থা বিশ্লেষণ করেছেন।

আইএটি স্কেলে দেখা গেছে, ৩৩ জন শিক্ষার্থী ইন্টারনেট আসক্তিতে ভুগছেন। কিন্তু নতুন স্কেলে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৭ জনে।

বিজ্ঞানীরা শিক্ষার্থীদের বিষণ্নতা, শঙ্কা, অমনোযোগিতা এবং অস্থিরতার মতো মানসিক সমস্যাগুলো বিবেচনা করেছেন। যে শিক্ষার্থীরা উভয় স্কেলে আসক্ত বলে ফলাফল করেছেন তাদের প্রতিদিনের কাজে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। যাদের ইন্টারনেটে আসক্তি বেশি তাদের মধ্যে অতিমাত্রায় বিষণ্নতা এবং অ্যাংজাইটির লক্ষণ দেখা গেছে। সময়ের ব্যবহার বা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে তাদের মাথা তেমন কাজ করে না।

বিপুল সংখ্যক মানুষের এই ইন্টারনেট আসক্তি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বয়ে আনতে পারে। অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে যে বিরূপ প্রভাব পড়ে তা সবই অস্বাস্থ্যকর অবস্থা প্রকাশ করে। মানুষ ক্রমশ এ অবস্থায় চলে যাচ্ছে। আর এর জন্য প্রয়োজন আরো বেশি গবেষণা।

গবেষণাপত্রটি ২৯তম কলেজ অব নিউরোসাইকোফার্মাকোলজি কনফারেন্সে উত্থাপন করা হয়। সূত্র : এনডিটিভি

 


মন্তব্য