kalerkantho

সোমবার । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৮ ফাল্গুন ১৪২৩। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


৫ লক্ষণে বুঝে নিন বস আপনাকে ভয় পান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:০৩



৫ লক্ষণে বুঝে নিন বস আপনাকে ভয় পান

কর্মক্ষেত্রের জীবনটাকে বুঝতে হলে ক্ষমতা, ভীতি আর বিশ্বাসের মধ্যকার সম্পর্ক বুঝতে হবে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানে বিশ্বস্ততা অন্যতম জ্বালানী হিসাবে কাজ করে। কিন্তু অনেক কর্পোরেট নেতার পক্ষে বিশ্বস্ততা অর্জন এবং তাকে প্রতিপালন করা কঠিন হয়ে ওঠে। এর প্রতিষ্ঠায় আগে নিজেকে জানতে হবে। অনেক বিষয়ে কর্মীদের সত্যটা বলতে হবে। গুণগত মানসম্পন্ন কাজ করতে হবে এবং চারপাশের মানুষদের আবেগ দিয়ে বুঝতে হবে। নেতাদের নিজের ভীতি নিয়েও কথা বলতে হয়। অথচ এ কাজটি অধিকাংশই করতে চান না।

ভীতি এমন এক শক্তি উৎস যাকে বুঝে উঠতে হবে। অনেক প্রতিষ্ঠান কেবল ভীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা একটি ভয় মাথায় রেখেই কেবল কাজ করে যান। তা হলো, কাজ না করলে চাকরি হারাতে হবে।

প্রত্যেক কর্মী ও কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নিজ অবস্থান বুঝতে পারেন। প্রত্যেকে তার এমন কোনো দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে সচেতন যার কারণে বসের সঙ্গে তার সমস্যা হতে পারে। বসের ইতিবাচক দিকের সঙ্গে থাকাটা ভিন্ন বিষয়। এর মাধ্যমে যেকোনো বাধা টপকানো সম্ভব। তবে বসকে খুশি করা অনেক কর্মীর এমন এক দায়িত্ব হয়ে ওঠে যা তার আসল কাজ থেকে অন্যদিকে সরিয়ে নেয়। অনেক প্রতিষ্ঠানেই বসদের এটা একটা বড় সমস্যা। তারা নিজেদের মধ্যকার ক্ষমতাকে প্রকাশ করতে পারেন না। তারা অনেক সময় নিজের ইচ্ছা অন্যদের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দিতে চান।

যাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণ নেই তারা নেতা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা মনে পুষে রাখেন ঠিকই, কিন্তু যোগ্য কর্মীদের নিয়ে মনে ভীতি কাজ করে তাদের। এমন বসরা তাদের চেয়ে যোগ্য কর্মীকে নিজের অবস্থানের জন্য হুমকি বিবেচনা করেন। আপনাকেও হুমকি বলে ভাবতে পারেন তারা। আপনি যখন সব কাজে সফল এবং যেকোনো কাজে করিৎকর্মা, তখনই তাদের চোখে আপনি এক ভীতিকর ব্যক্তিত্ব। এ ভয় আপনার যোগ্যতা। বেশ কয়েকটি লক্ষণে তাদের মনের ভীতি প্রকাশিত হয়। এখানে দেখে নিন এমনই ৫টি লক্ষণের কথা।  

১. যখন কর্মক্ষেত্রে আপনি একটা দারুণ আইডিয়ার জন্ম দিয়েছেন, তখন বস আপনার সেই আইডিয়া চুরি করতে বা নিজের নামে চালিয়ে নিতে অস্থির হয়ে থাকবেন। তা ছাড়া আইডিয়াটা আপনার মাথা থেকে বেরিয়েছে দেখে তার মনে ভীতি কাজ করবে।

২. অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার বিষয়ে আপনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন বস। কিংবা এমন উপায় করবেন যেন আপনি তাদের কাছে যেতে না পারেন। তার মনে ভয় ধরে গেছে।

৩. আগে হয়তো বস আপনার কাজের প্রশংসা করতেন। কিন্তু এখন শুধু ভুলগুলো খুঁজে বের করেন এবং তা অন্যদের জানানোর চেষ্টা করে থাকেন। অথচ অন্যরাও আপনার কাজের গুণগান গান।

৪. আগে বস আপনার সঙ্গে নানা কাজের বিষয়ে পরামর্শ করতেন। কিন্তু এখন আর তা করেন না। বরং এড়িয়ে যেতে চান।

৫. ভালো কোনো প্রজেক্ট বা কাজ যা আপনার মাধ্যমে সহজেই উদ্ধার হবে, তা আপনাকে না দিয়ে অন্য কাউকে দিয়ে দেন। এর মাধ্যমে আপনার যোগ্যতাকে ধামাচাপা দিতে চান তিনি।

আপনার বসের মধ্যে এমন লক্ষণ খুঁজে পেলে বিরক্ত হবেন না। বুঝে নিনি তিনি আপনাকে ভয় পাচ্ছেন। তাই মাথা ঠাণ্ডা করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখুন। সূত্র : ফোর্বস

 


মন্তব্য