kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জাপানের ‘বেড়াল দ্বীপ’-এর ইতিহাস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:৪৬



জাপানের ‘বেড়াল দ্বীপ’-এর ইতিহাস

জাপানের একটি ছোট্ট দ্বীপ, নাম আওশিমা। দ্বীপের দৈর্ঘ্য দেড় কিলোমিটারের কিছু বেশি।

বর্তমানে সেখানে বাস করেন কয়েকজন বৃদ্ধ দম্পতি। কিন্তু সেখানকার আসল বাসিন্দা অসংখ্য বেড়াল! আশ্চর্য ব্যাপার হলেও এই বেড়ালের কারণেই দ্বীপটির অপর নাম ‘নেকোজিমা’। যার অর্থ ‘বেড়াল দ্বীপ’!

আওশিমার মতো জাপানে এরকম আরও এক ডজন বেড়াল দ্বীপ রয়েছে। জেলে-মাঝিদের মাছ ধরার জাল কেটে দিত ইঁদুর। তাদের হাত থেকে জাল রক্ষার্থেই বেড়ালের স্মরণাপন্ন হয় জেলেরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, আওশিমা দ্বীপের বেশিরভাগ মানুষ জীবিকার তাগিদে চলে যান জনজীবনের মূল স্রোতে। হাতে গোনা কিছু সংখ্যক মানুষ থেকে যান দ্বীপেই। ১৯৪৫ সালেও এই দ্বীপে বসবাস করতেন ৯০০ মানুষ।

২০১৩ সালে, টুইটারে প্রথমবার জানা যায় আওশিমার বেড়াল পরিবারের কথা। তার পর থেকেই পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হয়েছে এই দ্বীপে। আওশিমা ছাড়া তাশিরোজিমা, জেনকাইশিমা ও মুজুকিজিমা দ্বীপও বেড়ালের জন্য নাম করেছে।

প্রসঙ্গত, জাপান একমাত্র দেশ নয় যেখানে বেড়ালদের জন্য এমন জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় যথাক্রমে ১৮ ও ১৫টি এমন দ্বীপ রয়েছে। তবে, জাপান যে শুধু আস্ত দ্বীপ ছেড়ে দিয়েছে, তা নয়। দেশজুড়ে রয়েছে ক্যাট-ক্যাফে, ক্যাট-স্রাইন ও ‘হ্যালো কিটি’ নামে ক্যাট-শপ।

--এবেলা


মন্তব্য