kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১৭ শতকের স্কটিশ যুদ্ধবন্দিদের পুনরায় সম্মানজনক দাফন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৩২



১৭ শতকের স্কটিশ যুদ্ধবন্দিদের পুনরায় সম্মানজনক দাফন

৩৫০ বছর আগে সংঘটিত ইংরেজ গৃহযুদ্ধের সময় কয়েক হাজার স্কটিশ যোদ্ধাকে বন্দি করেছিলেন ব্রিটিশ নেতা অলিভার ক্রমঅয়েল। এদের অনেককেই বন্দি করে রাখা হয়েছিল।

আর রোগে আক্রান্ত এবং না খেয়ে মারা যাওয়ার ফলে অনেককে গণকবরে দাফন করা হয়েছিল।

এখন ওই সেনাদের বেশ কিছু সংখ্যক সেনা অবশেষে উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আরো সম্মানজনক স্থান পেতে চলেছেন। ওই জায়গাতেই গণকবরের সন্ধান মিলেছিল। দেহাবশেষগুলো নিয়ে গবেষণা শেষে ওই সেনাদেরকে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই নতুন গোরস্থানে পুনরায় আরো সম্মানজনকভাবে দাফন করা হবে।

২০১৩ সালে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লাইব্রেরি সম্প্রসারণের জন্য জঞ্জাল পরিষ্কার করতে গিয়ে সেনাদের কয়েকটি দেহাবশেষ আবিষ্কৃত হয়। পরে প্রত্নতাত্বিকরা সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি করে দুটি গণকবরের সন্ধান পান।

দুটি কবর থেকে ১৭০০ স্কটিশ সেনার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। ১৬৫০ সালের ডানবার যুদ্ধের সময় তাদেরকে বন্দি করে ব্রিটিশ যোদ্ধারা।

২০১৭ সালে সেনাদের দেহাবশেষগুলো নিয়ে প্রত্নতাত্বিকদের গবেষণা শেষে নতুন করে তাদেরকে দাফন করা হবে।

তবে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গবেষণার জন্য বেশ কিছু সৈনিকের দেহাবশেষ থেকে দাঁত খুলে নিজেদের কাছে রেখে দিতে চাইছে। যার নৈতিক ভিত্তি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক শেষে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে মৃত সেনাদের দাঁত রাখার অনুমোদন লাভ করেছে।

যুক্তরাজ্যের বিচার মন্ত্রণালয় সেনাদের দেহাবশেষগুলো পুরনো গণকবর দুটির পাশেই পুনরায় দাফনের কথা বলেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ওই সেনাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলা হয়।

ডানবার যুদ্ধের পর ৩ হাজার স্কটিশ যোদ্ধাকে বন্দি করা হয়েছিল। এদের মধ্যে যারা বেঁচেছিল তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে চালান করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে তারা চুক্তিভিত্তিক দাস হিসেবে কাজ করেন। এ কারণে স্কটিশ সেনাদের দেহাবশেষগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
সুত্র : ফক্স নিউজ


মন্তব্য